যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

কুমিল্লায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

কুমিল্লা প্রতিনিধি,

কুমিল্লার চান্দিনায় স্ত্রী মোছা. মলেকা বেগমকে শ্বাসরোধ করে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত।

রোববার ( ৩০ জুন) দুপুর ১২টায় কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক রোজিনা খান এ রায়
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. জামাল হোসেন কুমিল্লা চান্দিনা উপজেলার ছায়কোট গ্রামের সিরু মিয়ার ছেলে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. জামাল হোসেন পেশায় একজন রিকশাচালক।

মামলা বিবরণে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহের জের ধরে আসামি জামাল হোসেন এর নিজ ঘরে ভিকটিম মোছা. মলেকা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যা করে রশি দিয়ে ঘরের তীরের সঙ্গে ঝুঁলিয়ে রেখে পালিয়ে যায়। মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মোছা. মলেকা বেগম এর মৃত দেহ দেখে চান্দিনা থানায় খবর দিলে থানাপুলিশ মৃত দেহ উদ্ধার করেন।

এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই কুমিল্লা দেবীদ্বার উপজেলার রাধানগর গ্রামের মৃত রেনু মিয়ার ছেলে খোরশেদ আলম বাদী হয়ে নিহতের স্বামী একই জেলার চান্দিনা উপজেলার ছায়কোট গ্রামের সিরু মিয়ার ছেলে মো. খোরশেদ আলমসহ ৭ জনের নাম উল্লেখপূর্বক ও অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনকে আসামি করে চান্দিনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নুরুল ইসলাম তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে আসামি মো. জামাল হোসেন (৩০) কে ঘটনার ৩ দিন পর ধৃত করে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করিলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। এরপর তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. নুরুল ইসলাম মামলার ঘটনা মূল রহস্য উদঘাটনক্রমে আসামি জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় শুধু তার বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৪ নভেম্বর বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট আসামি মো. জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে চার্জগঠনক্রমে রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানিতে আসামি মো. জামাল হোসেন এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্তক্রমে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন আদালত।

রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. জামাল হোসেন আদালত কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্র পক্ষে নিযু বিজ্ঞ কৌশলী এপিপি অ্যাডভোকেট মো. নুরুল ইসলাম বলেন, আমরা আশাবাদী উচ্চ আদালত উক্ত রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর করবেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com