যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

আদালতের সাংবাদিকদের প্রতিবেদন বিচারকাজে সহায়তা করে: অ্যাটর্নি জেনারেল

আদালতের সাংবাদিকদের প্রতিবেদন বিচারকাজে সহায়তা করে: অ্যাটর্নি জেনারেল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

আদালতের বিটের সাংবাদিকদের নানা বিষয়ে প্রতিবেদন বিচারকাজে সহায়তা করে বলে মনে করেন অ্যটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। সম্প্রতি ৩০ বছর ধরে আটকে থাকা একটি হত্যা মামলার বিচার প্রক্রিয়ার নথি গণমাধ্যমে সংবাদ পরিবেশন হওয়ায় তিনি উদ্ধার করেছেন বলে জানান রাষ্ট্রের প্রধান এই আইন কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাজধানীতে আইন আদালত বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন ল’ রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, বিচার বিভাগের কতিপয় কর্মচারীর ভুলে ৩০ বছর ধরে একটি হত্যা মামলার বিচার আটকে আছে। ৩০ বছর ধরে হত্যা মামলার নথি গায়েব-এমন রিপোর্ট গণমাধ্যমে দেখেই এ নিয়ে কাজ শুরু করি। নথি খুঁজে বের করতে চিঠি লেখা হয় হাইকোর্টের রেজিস্ট্রারকে। পরে নথি খুঁজে পাওয়া যায়।

এসময় ল’রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কমিটির উদ্দেশে এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, আইন-আদালত নিয়ে যেসব সাংবাদিক প্রতিবেদন তৈরি করেন, তাদের আইন সম্পর্কে জানা থাকলে এটি তৈরিতে সহায়ক হবে। কোর্টের রুলস আপনাদের জানা থাকলে সেটি করতে আপনাদের জন্য অনেক সুবিধা হবে। হাইকোর্টের যে প্রচলিত রীতি নীতি, তারপর সংবিধান বিষয়েও আপনাদের জানাশোনা থাকতে হবে। যদিও আপনাদের অনেকের সংবিধান বিষয়ে অনেক পড়াশোনা আছে।

আমিন উদ্দিন বলেন, আপনারা (সাংবাদিকরা) বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন। এই যে দীর্ঘদিন ধরে কনডেম সেলে আসামি থাকার বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। এ কারণে আমরা পদক্ষেপ নিতে পেরেছি। মানুষকে বিচার পেতে সুপ্রিম কোর্টের সাংবাদিকরা সহযোগিতা করেন। অনেক সময় দেখা যায়, বিচারপ্রার্থীরা সঠিক সময়ে আদালতে আসতে পারেন না বা বিভিন্ন কারণে মামলা পড়ে রয়েছে। দীর্ঘদিনে শুনানি হচ্ছে না। অনেক আদেশ পৌঁছাতে দেরি হয়। এ বিষয়গুলো সাংবাদিকরা তুলে ধরায় সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। এ কারণে আইন-কানুন জানা থাকলে প্রতিবেদন করতে আরও সুবিধা হবে।
অনুষ্ঠানে ‘ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের ২০২৪-২০২৫ সালের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com