নিজস্ব প্রতিবেদক
আমরা যদি বাস্তব জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারি তাহলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হবে।’
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন নূরুল ইসলাম বুলবুল
ভোগের মানসিকতা ছেড়ে দেশ ও জাতির কল্যাণের জন্য নিজেদেরকে উৎসর্গ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো: নূরুল ইসলাম বুলবুল।
তিনি বলেছেন, ‘সৎ, যোগ্য ও আদর্শিক নেতৃত্ব ছাড়া জনগণের কল্যাণে কাজ করা সম্ভব নয়। তিনি হযরত ইব্রাহীম আ: আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে জামায়াতে ইসলামীর সর্বস্তরের জনশক্তিদের আরো অগ্রগামী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের অফিস ওয়ার্ডের উদ্যোগে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য কামরুল আহসান হাসান। অফিস ওয়ার্ড সভাপতি মো: আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মো: আলাউদ্দিনের পরিচালনায় অফিস ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, ‘ঈদুল আজহা আমাদেরকে ত্যাগ ও কোরবানির আদর্শে উজ্জীবিত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক শোষন ও বৈষম্য দূর করে একটি তাকওয়াভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপ্রেরণা দেয়। আমরা যদি বাস্তব জীবনে ইসলামী আদর্শ অনুসরণ করে সমাজে ন্যায় ও ইনসাফ কায়েম করতে পারি তাহলেই আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, ‘৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদ আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে একটি মহল সারাদেশে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, লুটপাট ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে আমরা জানতে পারি, একটি পক্ষ চাঁদার টাকা ভাগাভাগি ও ভূমি দখল করতে গিয়ে নিজেরাই নিজেদের শতাধিক নেতাকর্মীকে খুন করেছে। এমনকি অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে মেয়ের বাবাকে খুন করা হয়েছে। ফলে যাদের কাছে নিজ দলের কর্মীরা নিরাপদ নয়, তাদের কাছে এদেশের জনগণ কখনো নিরাপদ থাকতে পারবে না।’
তিনি বলেন, ‘নৈরাজ্য সৃষ্টি করে জনগণের ভালোবাসা পাওয়া যায় না। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা মানুষের জান-মাল পাহারা দিয়ে মানুষের হৃদয় দখল করে নিয়েছে। মানুষের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।’
Leave a Reply