যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

হিলি রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

হিলি রপ্তানি বন্ধ, সীমান্তে পচছে ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ

অর্থ-বাণিজ্য

বাংলাদেশে রপ্তানি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় পচে যাচ্ছে প্রায় ৩০ হাজার টন ভারতীয় পেঁয়াজ। ভারতের পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় ক্রেতা বাংলাদেশ। কিন্তু বর্তমানে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দুই মাস আগেও বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি ছিল একেবারে স্বাভাবিক। ওই সময় মালদহ জেলার মাহদিপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন শতাধিক ট্রাকে পেঁয়াজ যেত বাংলাদেশে। সেই ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যৎ সরবরাহের আশায় মালদহ জেলার ব্যবসায়ীরা প্রায় ২০ হাজার মেট্রিক টন এবং হিলির ব্যবসায়ীরা আরও ১০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত করেন।

কিন্তু হঠাৎ করে রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মজুত করা বিপুল পরিমাণ পেঁয়াজ সীমান্তেই নষ্ট হচ্ছে। ক্ষতি কমাতে বাধ্য হয়ে অনেক ব্যবসায়ী এখন পানির দরে পেঁয়াজ বিক্রি করে দিচ্ছেন। এতে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রপ্তানির অনিশ্চয়তা ও সিদ্ধান্তহীনতার কারণে সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ কৃষিপণ্য পচে নষ্ট হওয়া একটি বড় ধরনের আর্থিক আঘাত।

মালদহ জেলার মাহদিপুর সীমান্তের ব্যবসায়ী মোহম্মদ রুবেল হোসেন জানান, বাংলাদেশ থেকে পেঁয়াজ রপ্তানির বরাত পেয়েই আমরা মহারাষ্ট্রের নাসিক থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসি। কিন্তু বন্দরে আসার পরেই হঠাৎ জানতে পারি, বাংলাদেশে আর পেঁয়াজ রপ্তানি করা যাবে না। ফলে পচে যাওয়া ভয়ে সেই পেঁয়াজ পানির দরে বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।

যদিও উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা এবং পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা সেভাবে পেঁয়াজ মজুত করেনি। ফলে তারা কিছুটা রেহাই পেয়েছেন।

পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ক্লিয়ারিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী জাগো নিউজকে জানান, এই মুহূর্তে পেট্রাপোল এবং ঘোজাডাঙ্গা স্থলবন্দরে পেঁয়াজভর্তি ট্রাক দাঁড়ানো নেই।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী শহরগুলোতে তুলনামূলক ভালো মানের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ রুপিতে।

কলকাতার এক পাইকারি পেঁয়াজ বিক্রেতা দ্বীপ বর্মন জানান, এখানে হয়তো খুচরা পেঁয়াজের দাম একটু বেশি। গোডাউনের পেঁয়াজগুলো বাইরে আসলেই এই দাম আরও কমে যেতে পারে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com