মোঃ আবু জাফর মন্ডলঃ
গাইবান্ধায় ফুটপাতের ফল ব্যবসায়ীদের বাঁচার আকতি
উচ্ছেদের আগে পুনর্বাসন চাই এর ধারাবাহিকতায় প্রকাশ থাকে যে, গাইবান্ধার পলাশবাড়ী পৌরসভা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনায় শহরের বিভিন্ন সড়ক, ড্রেন, ফুটপাত, সরকারি জায়গা ও জনসাধারণের চলাচলের পথে গড়ে ওঠা দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ গ্রহন করেছে । তাদের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে না নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে এই উচ্ছেদ অভিযানের খবরে বিপাকে পড়েছেন পলাশবাড়ী সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে ডাকবাংলো সীমানা প্রাচীরসংলগ্ন ফুটপাতে বসা মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীরা। দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করে আসা স্বল্প আয়ের এসব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী তাদের একমাত্র আয়ের উৎস হারানোর আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, ফুটপাতে ফল বিক্রির আয় দিয়েই তাদের পরিবার চলে। অনেকেই এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করছেন, যার কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ করতে হয়। হঠাৎ করে উচ্ছেদ করা হলে তারা আর্থিক সংকটে পড়বেন, ঋণের বোঝা বাড়বে এবং সন্তানের পড়াশোনাও বাধাগ্রস্ত হবে।বেকার সমস্যা বৃদ্ধি পাবে।অপরাধ বৃদ্ধি পাবে।সমাজের আইনশৃঙ্খলা অবনতি ঘটনার ঘটনার সম্ভাবনা থাকবে।
এ পরিস্থিতিতে স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, কোনো বিকল্প ব্যবস্থা বা পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা মানবিক হবে না। তাদের মতে, মৌসুমি ফল ব্যবসায়ীদের জন্য পৌর এলাকায় একটি নির্দিষ্ট মার্কেট বা বিকল্প স্থান নির্ধারণ করা জরুরি।
তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন, উচ্ছেদ কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে মানবিক দিক বিবেচনা করে দ্রুত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। একই সঙ্গে পরিকল্পিতভাবে একটি ফলের বাজার গড়ে তুলে এসব ব্যবসায়ীদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ নিশ্চিত করে বাঁচার আকুতি জানানো হয়েছে।
Leave a Reply