বাসস
নিজস্ব প্রতিবেদক :
সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
সড়ক পরিবহন ও সেতু প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ বলেছেন, ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ করে সরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়। এসব যানবাহনের চলাচলের নির্দিষ্ট পথ, কর প্রদানসহ বিভিন্ন বিষয় নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং নীতিমালা প্রণয়নের কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। যেকোনো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগে যথাযথ সম্ভাব্যতা যাচাই প্রয়োজন এবং কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দিতে হবে।
বুধবার রাজধানীর বাংলামটরে প্ল্যানার্স টাওয়ারের বিআইপি কনফারেন্স হলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স (বিআইপি) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান এবং টেকসই গণপরিবহন পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, যানজট নিরসনে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারে উৎসাহ দিতে শুল্ক কমানো, গবেষণা ও ব্যাংক ঋণের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তঃজেলা বাসের ঢাকায় প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, সিটি বাস টার্মিনাল, ফিটনেসবিহীন বাস ব্যবস্থাপনা, কমিউটার ট্রেন, নৌপথ, মেট্রোরেল ও মনোরেল নিয়ে কাজ চলছে।
সেমিনারে উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধে বলা হয়, ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যানকে প্রচলিত রিকশার সঙ্গে এক করে না দেখে পৃথক মোটরচালিত যান হিসেবে বিবেচনা করে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা প্রয়োজন। গবেষণায় ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যানের ক্ষেত্রে পরপর দুটি যানের চলাচলের সময়ের ব্যবধানে প্রচলিত রিকশার তুলনায় পার্থক্য পাওয়া গেছে। ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান-এর ক্ষেত্রে এই সময়ের ব্যবধান প্রায় ১ দশমিক ৩ সেকেন্ড, যা হঠাৎ পরিস্থিতিতে সড়ক নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. মু. মোসলেহ উদ্দিন হাসান ও পরিকল্পনাবিদ তাহসিন রেজা।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিআইপির সভাপতি পরিকল্পনাবিদ ড. মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। এতে সরকারি কর্মকর্তা, পরিকল্পনাবিদ, শিক্ষক, গবেষক, সাংবাদিক ও পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।