যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

প্রায় আড়াই বছর পর ভারতে যাওয়ার অনুমতি পেলেন ফেরদৌস

প্রায় আড়াই বছর পর ভারতে যাওয়ার অনুমতি পেলেন ফেরদৌস

বিনোদন প্রতিবেদক:

ফাইল ছবি

দেশের পাশাপাশি ভারতের পশ্চিমবঙ্গেও বেশ জনপ্রিয় নায়ক ফেরদৌস। একসময় নিয়মিত কলকাতার সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। তবে গত আড়াই বছর ধরে ভারতে যেতে পারেননি ফেরদৌস।
২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গের লোকসভা নির্বাচনে একজন বাংলাদেশি হয়েও তৃণমূলের এক নেতার জন্য প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি। এ কারণে তার বিরুদ্ধে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ তোলে বিজেপি। এরপরই ফেরদৌসের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ খ্যাত এ অভিনেতাকে কালো তালিকাভুক্ত করে দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফলে ভারত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয় ফেরদৌসের। অবশেষে আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর ভারতে যাওয়ার অনুমতি পেলেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ফেরদৌস জানিয়েছেন, একটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে আড়াই বছরের বেশি সময় ভারতে ঢুকতে পারিনি। নিষেধাজ্ঞা শেষে ভারতের ভিসা পেয়ে ভীষণ আনন্দিত। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই দুই দেশে একসঙ্গে কাজ করেছি। সব সময় বলতাম, কলকাতা আমার সেকেন্ড হোম।

বাংলাদেশি নাগরিক হয়ে ভারতের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়াটা ভুল সিদ্ধান্ত ছিলো বলে মনে করছেন ফেরদৌস। নিজের ভুল স্বীকার করে এই অভিনেতার ভাষ্য, অবশ্যই এটা আমার ভুল। আমি তো জানতাম না যে এমন কাজ করা যাবে না। আমাকে যারা নির্বাচনী প্রচারণায় নিয়ে গেছেন, তারাও জানতেন না আমি সেখানে যেতে পারব না। এটা অবশ্যই ভুল। জীবনে একটা উচিত শিক্ষা হয়েছে।

ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কোনো ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ফেরদৌস জানিয়েছেন, আমার রানিং কয়েকটা চলচ্চিত্র ছিল। নতুন আরো কয়েকটি চলচ্চিত্র নিয়ে কথা হচ্ছিল সেগুলো থেকে সরে আসতে হয়েছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি ‘বঙ্গবন্ধু’র মতো একটি সিনেমা, যেটা বাংলাদেশের একটা ইতিহাস রচনা করবে, সেই ইতিহাসের সাক্ষী হতে পারলাম না। এটা তো অনেক বড় একটা না পাওয়ার কষ্ট। এ কষ্ট আজীবন থেকে যাবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com