শিক্ষাঙ্গন ডেস্ক :
দেশের বাইরে উচ্চশিক্ষার কথা ভাবতে গেলে এর আগে আগে যে কাজটুকু সেরে নিতে হয় ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ টেস্টিং সিস্টেমে ভালো স্কোর দেখাতে হয়। যাকে সংক্ষেপে বলা হয় ‘আইইএলটিএস’। অনেকে দেশে আবার তা দেখাতে হয় না। তবে যারা ‘আইইএলটিএস’ এ ভালো স্কোর করতে চাও তাদের জন্য আরো বিস্তারিত।
‘আইইএলটিএস’ এ প্রথমে রিডিং, লিসেনিং, রাইটিং ও স্পিকিং—এই চার ধরনের টাস্কের মুখোমুখি হতে হয়।
পরীক্ষার প্রক্রিয়া
আইইএলটিএসের তৃতীয় টেস্ট ‘রাইটিং’। তোমার হাতে একটি কার্ড দেওয়া হবে। এর দুই দিকে লেখা থাকবে দুটি টাস্ক। আরো দেওয়া হবে অ্যানসার বুকলেট।
৬০ মিনিটের মধ্যে সেটিতে লিখতে হবে উত্তর।
প্রথম টাস্ক
গ্রাফিক কিংবা পিক্টরিয়াল তথ্যপূর্ণ একটি টাস্ক দেওয়া হবে তোমাকে। এই টাস্কে সাধারণত বার চার্ট, লাইন গ্রাফ, পাই চার্ট, টেবিল—এ সবই দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে তোমার দক্ষতার নানা পরীক্ষা নেওয়া হবে। তোমাকে লিখতে হবে টাস্কটিতে থাকা তথ্যের বর্ণনা ও ব্যাখ্যা, কোনো একটি প্রক্রিয়া কিংবা পদ্ধতির বর্ণনা, এক বা একাধিক ঘটনা কিংবা পরিস্থিতির বর্ণনা, পুরো বিষয়টি উপলব্ধি করে তোমার ব্যাখ্যা।
নমুনা
The chart bellow shows how primary, secondary and tertiary students in Britain spend their free time.
Summarise the information by selecting and reporting the main features, and make comparisons where relevant.
You should write at least 150 words.
How students in Britain spend their free time (5 or more hours a week).
যেভাবে প্রস্তুতি
উত্তরের শব্দসীমা সাধারণত টাস্কেই উল্লেখ থাকে। এর জন্য সব মিলিয়ে ২০ মিনিটের বেশি সময় নেওয়া ঠিক হবে না। কিভাবে সময় ভাগ করবে, চলো জানি :
১. গ্রাফ বা চার্টটি ভালো করে পড়া ও উত্তর ভাবার জন্য পাঁচ মিনিট ব্যয় করো।
২. গ্রাফের অক্ষরেখা কিংবা পাই চার্টের পারসেন্টেজগুলো বুঝলে কি না, মন দিয়ে ভাবো।
৩. গ্রাফের প্রতিটি রেখা ঠিকমতো বুঝে নাও। একাধিক রেখা থাকলে বিভ্রান্ত না হয়ে পার্থক্য খেয়াল রাখো।
৪. গ্রাফে বা চার্টে অনেক তথ্যই দেওয়া থাকতে পারে। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করে নাও।
৫. একাধিক গ্রাফ বা চার্ট দেওয়া থাকলে সেগুলোর মধ্যে তুলনা টানো।
৬. যে সময়কালটি বোঝানো হয়েছে, সেটির ওপর ভিত্তি করে ঠিক করে নাও পাস্ট, প্রেজেন্ট, নাকি ফিউচার টেনসে উত্তরটি লিখবে।
৭. একই শব্দ ব্যবহার নয়, বরং সমার্থক শব্দ ব্যবহার করো।
৮. তথ্যগুলোকে বাক্যে সুন্দরভাবে সাজাও। লেখায় ইনট্রোডাক্টরি স্টেটমেন্ট, বডি ও কনক্লুশন থাকতে হবে। এর মধ্যে ইনট্রোডাকশনে গ্রাফ বা চার্টটি সম্পর্কে একটি স্পষ্ট বর্ণনা এবং এটি যা বোঝাতে চাচ্ছে, সেই সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ইঙ্গিত রেখো। ‘বডি’ অংশে পুরো বিষয়টির বিশদ ব্যাখ্যা দিও। আর ‘কনক্লুশন’ অংশে লিখে দিয়ো বিষয়টির নির্যাস বা সারাংশ।
৯. প্রশ্নপত্র থেকে কোনো অংশ সরাসরি কপি কোরো না। বরং নিজের শব্দভাণ্ডার, নিজের বাক্যের ক্যারিশমা দেখাও।
১০. গ্রাফ বা চার্টে দেওয়া হয়নি, এমন কোনো তথ্য যোগ কোরো না।
১১. টাস্কটি শেষ করতে কোনোভাবেই ২০ মিনিটের বেশি সময় নিয়ো না।
১২. রিভাইস দেওয়ার জন্য দু-এক মিনিট হাতে রেখো।
Leave a Reply