যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পাবনায় এক পুলিশ কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মুক্তিপন নেওয়ার অভিযোগ

পাবনায় এক পুলিশ কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মুক্তিপন নেওয়ার অভিযোগ

পাবনা প্রতিনিধি:

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় জামাত আলী নামের এক ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের নামে দেড় লাখ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে এক পুলিশ কর্মকর্তা ও কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। গত রবিবার মধ্যরাতে আটকের সময় তার স্ত্রী ও মেয়েকে শারীরিক লাঞ্চনা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

জানা গেছে, জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের একটি মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি জামাত আলী। রবিবার রাত পৌনে এগারোটার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদ ও স্থানীয় কাউন্সিলর জহুরুল পৌর শহরের সরদারপাড়ায় জামাত আলীর বাড়িতে যান।

এ সময় জামাত আলীর স্ত্রী ও মেয়েকে লাঞ্ছিত করে হাতকড়া পড়িয়ে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। পরে বাড়ি থেকে প্রায় চার কিলোমিটার দূরে একটি নির্জন কবরস্থানের সামনে আটকে রেখে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয়। অবশেষে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার কথা স্বীকার করলে কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম জামাত আলীর বাড়ি গিয়ে নগদ ৬০ হাজার এবং ৯০ হাজার টাকার একটি চেক নিয়ে আসেন। পরে রাত একটার দিকে জামাত আলীকে বাড়ি পৌঁছে দেন ওই পুলিশ কর্মকর্তা ও কাউন্সিলর।

অভিযোগের বিষয়ে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) জাহিদ হাসান বলেন, ‘জামাত আলী হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত। তাই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি হওয়ায় তাকে আটক না করে জামিন নেওয়ার জন্য সময় দিতে একটু দূরে নিয়ে কথা বলা হয়েছে মাত্র। টাকা পয়সা নেওয়া ও স্ত্রী-কন্যাকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে কাউন্সিলর জহুরুল ইসলাম এ বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হন নি।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার কাছেও অভিযোগ এসেছে। একজন ব্যক্তির অপকর্মের দায় পুরো বিভাগ নিবে না। তাই ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com