নিজস্ব প্রতিবেদক:
আজ ৩য় দিনের মত ”শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত শিক্ষক। কিন্তু পদ শূন্য রেখে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব নয়। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগে ৪৫০০০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেয়ার কথা বলে ৩২৫৭৭ শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। সেখানেও ৪-৫ হাজার যোগদান করবে না, যোগদান করলেও ভালো চাকুরি পাওয়ার সাথে সাথে অন্য জবে চলে যাবে। বেকারদের নিয়ে দয়া করে তামাশা । প্রাইমারির সার্কুলার-২০২০ হয়েছে শূন্য পদের বিপরীতে। তখন সারা বাংলাদেশে প্রাইমারিতে শূন্য পদ ছিল প্রাথমিক(রাজস্ব) -৩২হাজার এবং dpe দ্বারা সৃষ্ট প্রাক(রাজস্ব)-২৬ হাজার। মোট শূন্য পদ ছিল ৩২+২৬=৫৮ হাজার। কিন্তু মন্ত্রণালয় রাজস্ব মাত্র ৬ হাজার + প্রাক সৃষ্ট ২৬ হাজার= মোট ৩২ হাজার অনুমোদন দেয়। কিন্তু, নিয়োগ-২০২০ শূন্য পদ অনুসারে হলে বাকি ২৬ হাজার পদ থেকে কেন আমাদের বঞ্চিত করা হবে?? প্রত্যাশীরা তাদের ন্যায্যদাবী- ২০২০ সালের শূন্য পদ ৫৮ হাজারের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছেন। অতিরিক্ত পদসংখ্যার জন্য দাবি করছেন না। তবে কেন পদসংখ্যা ৫৮ হাজারের দাবি পূরণ করতে গেলে মামলা হতে পারে? কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে পদসংখ্যা হৃাস- বৃদ্ধি করার এখতিয়ার থাকে।তবে কেন প্রয়োজনে পদসংখ্যা বৃদ্ধিতে মামলার ভয়?? যদি চূড়ান্ত রেজাল্টের আগে পদসংখ্যা বৃদ্ধি করা অপরাধ হয়। তবে ২০১৮ নিয়োগে শূন্য পদে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ১২ হাজার জনবল নেয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ১৮ হাজার জনবল নিয়োগ দেয়? তাছাড়া, ১,৫১,৮২৫ জন প্রার্থী থেকে প্রচুর পদ শূন্য থাকা সত্ত্বেও কেন মাত্র ৩২ হাজার?? বাংলাদেশের একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ -২০২০ এর শূন্য পদের বিজ্ঞপ্তি মতে ৫৮ হাজার এটা অধিকার। তাছাড়া ২০২৩ সালের প্রাইমারি এক শিফট শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য হলেও অতিরিক্ত শিক্ষক প্রয়োজন।করোনা তান্ডব চালিয়ে অনেকটা নিস্তেজ।কিন্তু,করোনা চলে গেলেও জীবনের থেকে মহামূল্যবান ২ টি বছর ফিরে পাওয়া যাবে না।
Leave a Reply