ফরিদপুর প্রতিনিধি
ফাইল ছবি
গৃহপরিচারিকা রেনু আক্তার। তিনি আব্দুস সালাম খলিফার বাসায় দীর্ঘদিন গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন। রোববার বাসার লোকজন বাইরে বেড়াতে যান। ফাঁকা বাসা পেয়ে রেনু আক্তার আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও হীরা চুরি করে পালিয়ে যান। বাসায় ফিরে এমন পরিস্থিতি দেখে সালামের স্ত্রী পলি আক্তার ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দেন। অবশেষে মঙ্গলবার বিকেলে চুরি করা ঐ স্বর্ণ ও হীরা বিক্রি করতে গিয়ে আটক হন রেনু আক্তার।
ঘটনাটি ফরিদপুরের। আটক রেনু পৌর শহরের কমলাপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তিনি লিটন শেখের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, শহরের কমলাপুর এলাকার মো. আব্দুস সালাম খলিফার বাসায় দীর্ঘদিন গৃহপরিচারিকার কাজ করতেন রেনু আক্তার। ধীরে ধীরে তিনি পরিবারের বিশ্বস্ত হয়ে ওঠেন। মাঝে মধ্যেই তাকে বাসায় একা রেখে পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় যেতেন। রোববার বাসার লোকজন বাইরে বেড়াতে যান। ফাঁকা বাসা পেয়ে রেনু আক্তার আলমারি ভেঙে স্বর্ণালংকার ও হীরা চুরি করে পালিয়ে যান। বাসায় এসে এমন পরিস্থিতি দেখে সালামের স্ত্রী পলি আক্তার ফরিদপুরের কোতোয়ালী থানায় অভিযোগ দেন।
মঙ্গলবার বিকেলে শহরের স্বর্ণকারপট্টির নয়ন জুয়েলার্সে চুরি করা ঐ স্বর্ণ ও হীরা বিক্রি করতে আসেন রেনু আক্তার। মূল্যবান স্বর্ণালংকার ও হীরা দেখে জুয়েলার্সের মালিকের সন্দেহ হয়। তিনি রেনু আক্তারকে দোকানে বসিয়ে রেখে কৌশলে থানায় খবর দেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ এসে রেনুকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এম এ জলিল বলেন, দোকানির সহযোগিতায় চুরির মালামালসহ গৃহপরিচারিকাকে আটক করা হয়। রেনুর দেওয়া তথ্যে তার ভাড়া বাসা থেকে আরো স্বর্ণালংকার ও হিরা উদ্ধার করা হয়। যা তিনি মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিলেন।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, ঐ গৃহপরিচারিকার কাছ থেকে উদ্ধার স্বর্ণালংকার ও হীরা বাজার মূল্য ১৮ লাখ টাকার বেশি। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
Leave a Reply