নিজস্ব প্রতিবেদক:
পুলিশ সপ্তাহ-২০২৩ শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) থেকে। এ আয়োজন শেষ হবে ৮ জানুয়ারি। এবারের পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে পুলিশ আছে জনতার পাশে’। এ বছর পুলিশ সপ্তাহকে অন্য যেকোনো সময়ের চাইতে আলাদা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার তাদের বেশ কয়েকটি এজেন্ডা রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে। এর মধ্যে প্রধান হলো পদোন্নতি ও পদায়ন। এছাড়াও রয়েছে ট্রাফিকের টিএ-ডিএ বিলসহ বিভিন্ন ভাতা চালু করা।
শুধু তাই নয়, পুলিশ সপ্তাহের এজেন্ডার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক উত্তাপ মোকাবেলায় বিশেষ নির্দেশনা। সিআইডির নানা সমস্যার বিষয়টিও এজেন্ডার মধ্যে রাখা হয়েছে।
পুলিশের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অফিসারদের বাড়তি সুযোগ-সুবিধা যেমন, টিএ-ডিএ বিল চালুসহ যেসব ভাতা বন্ধ আছে সেসব বিষয়ে আলোচনা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনেই উপস্থিত থাকবেন। সেখানে পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার সময় এসব বিষয়াদি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে।
প্রধানমন্ত্রীকে জানানোর পর রাষ্ট্রপতিকেও বিষয়টি জানানো হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।
গত বছর পদোন্নতিতে কিছু জট ছিল। ২৮তম বিসিএস অফিসারদের পদোন্নতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। অনেকের পদোন্নতি অপেক্ষমান তালিকায় আছে। এদিকে, ২৯তম ও ৩০তম বিসিএস অফিসারদের পদোন্নতিরও সময় হয়েছে। ডিআইজি ও অতিরিক্ত ডিআইজির পদ খালি নেই কোনোটিই। নতুন করে ওইসব পদে নিয়োগ দিলে জটিলতার সৃষ্টি হবে। বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বে সঙ্গে আলোচনা করা হবে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
পুলিশ সপ্তাহে ট্রাফিক পুলিশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর মধ্যে শৌচারগারসহ ট্রাফিক বক্সের আবেদন সবচেয়ে সামনে রয়েছে। প্রায়ই সিটি করপোরেশন ট্রাফিক পুলিশ বক্স ভেঙে ফেলে। এই বিষয়টি নিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে আছে ট্রাফিক পুলিশ। এটি আলোচনা করা জরুরি মনে করছেন পুলিশ কর্মকর্তারা।
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ পুলিশ এসোসিয়েশনের সভাপতি ও গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বি এম ফরমান আলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে পদোন্নতির বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উপস্থাপন করা হবে। এছাড়াও যেসব দাবি-দাওয়া আছে সেগুলোও প্রদানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব।
Leave a Reply