1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৭ অপরাহ্ন

কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত

মোঃ সাগর (বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি) :

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে (২৮) অপহরণের পর নির্যাতন চালিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। অপহরণের প্রায় চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মরদেহে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবার ও স্থানীয়রা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে কাকারা মাঝের স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জিসান কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ লোটনী এলাকার নাজেম উদ্দিনের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে কাকারা মাঝের স্টেশনের একটি দোকানের সামনে অবস্থান করছিলেন জিসান। এ সময় একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে কয়েকজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি সেখানে এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সবুজবাগ এলাকার ‘কবির টাওয়ারে’ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয় এবং পরে মরদেহ চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।
পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জিসানের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার ইসমাইল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।”
এদিকে জিসান হত্যার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি। তিনি বলেন, “জিসান ছাত্রদলের একজন উদীয়মান ও সক্রিয় নেতা ছিলেন। তাকে অপহরণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি খুনিদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করা না হয়, তাহলে চকরিয়া উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ ছাত্র সমাজকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কারা জড়িত এবং কী কারণে জিসানকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে—তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..