ফরিদপুর প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরে বেশি ভাগ সরকারি কর্মকর্তারা বিভিন্ন অজুহাতে অফিস ফাকি
দিয়ে থাকার অভিযোগ পাওয়া
গিয়াছে। জেলায় প্রায় ২০/২৫ টি অফিস আছে তার মধ্যে
জেলা প্রশাসক অন্যতম,যতো সরকারি অফিস আছে সব গুলো অফিস জেলা প্রশাসক এর নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু সরো জমিনে ঘুরে দেখা যায় জেলা প্রশাসক আর পুলিশ সুপার এই
দুই কর্মকর্তা ফরিদপুরে থাকলে নিয়মিত অফিস করে থাকে। অন্য আন্য অফিস গুলোর মধ্যে
রয়েছে গনপুর্ত বিভাগ সড়ক ও জনপথ বিভাগ এল জি ই ডি বিভাগ শিক্ষা প্রকৌশল বিভাগ
স্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ বি এ ডি সির একাধিক প্রকৌশল বিভাগ একাধিক কৃষি বিভাগ খাদ্য বিভাগ সহ এধরনের অনেক অফিস রয়েছে। এরা সময় মতো অফিস করে না এবং সাধারণ জনগনের সাথে এদের যোগাযোগ কম বিদায়,এরা যে চরম ফাকিবাজ মানুষ বুঝতে পারে না।এই অফিস গুলোতে গেলে দেখা যায় অফিস সহকারি পিয়ন দাড়োয়ান ছাড়া কর্মস্থলে কেউ নাই। অফিস নাই কেন জানতে চাইলে এক কথা বলে দেয়, ডিসি অফিসে মিটিং এ আছে অথবা বলে হেড অফিসে আছে জরুরি কাজে,আসলে কিন্তু না তারা অফিস ফাকি দিয়ে বাসায় বা অন্য কোথায় অবস্থান করছে।সাম্প্রতিক উপরোক্ত অফিস গুলোতে কোন প্রয়োজনে অফিসারদের ফোন করলে তারা ফোন রিসিভ করে না।গত অক্ট মাসের ২৮তারিখ দুপুরে যাওয়া হয় ফরিদপুরে মসলা গবেষণা উপ কেন্দ্রে,গিয়ে জানা যায় ৩ জন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হলেন ডঃ
আশিকুল ইসলাম নীরু, তার পর হচ্ছেন উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রুম্পা সরকার ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হচ্ছেন মোঃ মুশফিকুর রহমান। এই ৩ জন বৈজ্ঞানিকদের মধ্যে ১জনকে ও অফিসে পাওয়া গেলো না। মসলা কেন্দ্রে পাওয়া গেলো গেট ম্যান আয়া ও একাউন্টে কে। অফিসার কোথায় আছে জানতে চাইলে তারা জানান একজন মহিলা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা৬ মাসের ছুটিতে আছে, আর বাকি দুই জন অফিসিয়াল কাজে বাহিরে আছে, আমার জানতে পেরেছি তারা মাসে ২/১ দিন অফিস করে থাকে,বাকি সময় গুলো বিভিন্ন কর্মকাণ্ড দেখিয়ে অফিসে আসে না। মসলা কেন্দ্রের আশে পাশে একাধিক বসবাসকারীরা রমজান সালাম কামাল গংরা জানান মসলা
গবেষণা কেন্দ্রের কর্মকর্তারা তেমন অফিস করেনা শহর থেকে অনেক দুরে বিদায় অফিস কম করে আমাদের মনে হয়। অধ্যাপক রহমান ও স্কুল মিজানুর রহমান জানান সরকারি কর্মকর্তাদের কোন জবাবদিহি করতে হয় না তাই ইচ্ছা মতো অফিসে যায় আর আশে,কোন এক সময় প্রতিটা
কর্মকর্তা কর্মচারীর জবাবদিহি করা লাগতো, তাই তখন অফিস
ফাকি দিতে সাহস পেতো না,এখনঐ ধরনের কোন ব্যাবস্তা নেই,এজন্য জেলার বড় ছোট কর্মকর্তাদের সাহস বৃদ্ধি পইছে,এই সমস্যা গুলো সমাধান করার জন্য মানীয় প্রধান মন্ত্রী দৃষ্টি দেওয়া আহবান জানিয়েছ ফরিদপুর বাসী।