মোঃ নাজমুল হুদা, লামাঃ বান্দরবানের লামা উপজেলার সরই বনবিট ও পুলিশের যৌথ অভিযানে এক পিকআপ ভর্তি কঁচি বাঁশ বা বাঁশ পুরুল খাদ্য করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই,২৬ খ্রিঃ) বিকাল ৩ টায় কেয়াজু পাড়া বাজারের উত্তর পাশে মনুরটেক নামক রাস্তায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অবৈধ কচি বাঁশ খাদ্য গাড়িসহ জব্ধ করা হয়েছে।
সরেজমিনে ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানায়, বান্দরবানের টংগাবতীসহ অন্যান্য পাহাড়ি এলাকা হতে সংগ্রহ করা কচি বাঁশ একটি অসাধু চক্র বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাজারজাত করার উদ্দেশ্য এ (কচি বাঁশ খাদ্য) গাড়ির মাধ্যমে নিয়ে যাওয়ার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লামার সরই বনবিট অফিস ও পুলিশ ফাঁড়ির লোকজনের যৌথ অভিযানে এগুলো গাড়িসহ (গাড়ি নং লট-২০) আটক করে পরে সরই বনবিট অফিসে নিয়ে আছেন। এখনও সরই বন বিট অফিসে জব্দ করা অবস্থায় রয়েছে। এক্ষেত্রে কোন অভিযুক্ত আসামি পাওয়া যায়নি।
অসমর্থিত সূত্রে স্থানীয় কয়েকজন জানান, বাঁশের প্রজনন মাস (জুন,জুলাই ও আগষ্ট) এ তিন মাস পাহাড়ে প্রকৃতিকভাবে প্রচুর বাঁশ গজায় বা জন্মে এবং এ সময় সরকারিভাবে বাশঁ কাটা ও পরিবহন করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ রকম অবৈধ অনৈতিক কাজ করা দেশের অনেক ক্ষতি। জব্ধ করা বাঁশ পুরুল গুলো প্রায় ১০০০ (এক হাজার) কেজি হবে বলে জানান।
তারা আরও জানান, এই এক গাড়ি বাঁশ পরিপক্ব হলে এ রকম ১০০ গাড়ি হবে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল ও সাধারণ মানুষের অনেক বেশি সচেতন থাকা জরুরি।
এ সময় অভিযানে অংশ নেন সরই বনবিট অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান, ফোর্স হিসেবে ছিলেন সরই পুলিশ ফঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার সেলিম শাহরিয়ার,বন স্টাফ সিরাজ মিয়া, আশিষ কুমার সুশীল, নুরুল আলমসহ অন্যান্যরা।
এ বিষয়ে সরই বনবিট কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথ অভিযানে চালিয়ে গাড়িসহ কচি বাঁশ গুলো জব্ধ করেছি। পাশাপাশি বন আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন। তিনি এ রকম অভিযান চলমান থাকবে বলে জানান।
লামা বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মাসুম আলম জানান, এ ক্ষেত্রে ডিএফও স্যারসহ আমরা অবগত আছি। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বন আইনে মামলা হচ্ছে এবং কোর্টের তোলা হবে।
এ জাতীয় আরো খবর..