1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন

সিরিয়ায় ইসরায়েলের হামলা তুর্কি সেনা মোতায়েনের ভয়ে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৬ বার পঠিত
১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েল। দেশটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েনের গুঞ্জনের মধ্যেই এই হামলা চালায় ইসরায়েলের বিমানবাহিনী।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) চালানো এ হামলায় কেউ হতাহত না হলেও বিমানঘাঁটির অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, তুরস্ক ও সিরিয়াকে সতর্ক করতে দখলদাররা এ হামলা চালিয়েছে।

ইসরায়েল মঙ্গলবার রাতের হামলার তথ্য স্বীকার করে। তারা জানায়, তুরস্ক সেখানে নিজেদের সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছিল। এ কারণে তাদের সতর্ক করতে হামলা চালানো হয়েছে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর দফতর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ ব্যাপারে বলা হয়েছে, ইসরায়েল ও সিরিয়া নিরাপত্তা বজায় রাখার বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছিল।

Syria-2তবে আলেপ্পোর নিকটবর্তী একটি বিমানঘাঁটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েনের অনুমতি দিয়ে সিরিয়া প্রায় সেই সমঝোতা লঙ্ঘনের উপক্রম করেছিল। তাদের সতর্ক করতে এ হামলা চালানো হয়েছে।

নেতানিয়াহুর দফতর থেকে আরও বলা হয়েছে, সিরিয়াকে বারবার সতর্ক করা হয়েছে তুরস্কের সেনা মোতায়েন ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

কিন্তু সিরিয়া এসব সতর্কতা উপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইসরায়েল এমন লঙ্ঘন মানবে না। সিরিয়া যদি আবারও সমঝোতায় আসতে চায় তাহলে ইসরায়েল স্বাগত জানাবে।

তবে তুরস্ক ইসরায়েলের এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশটির এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংবাদমাধ্যম এক্সিওসকে বলেছেন, সিরিয়ার ইদলিবের আবু জুহুর নামে এ বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের কোনো সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা নেই। কিন্তু ইসরায়েল সিরিয়ার ভৌগলিক অখণ্ডতার ওপর হামলাকে স্বাভাবিকরণ করার চেষ্টার অংশ হিসেবে মিথ্যা অজুহাতে এ হামলা চালিয়েছে।

এ কর্মকর্তা আরও বলেছেন, ওই বিমানঘাঁটিতে তুরস্কের কোনো সেনা উপস্থিতি নেই। ইসরায়েল এ অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করার জন্য অজুহাত খুজে বের করছে।

ইসরায়েলের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যম কান নিউজকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল সিরিয়ার বিমানঘাঁটিতে নিজেদের সেনা মোতায়েনের চেষ্টা করছিল তুরস্ক।

এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রকে অবহিত করা হয়েছে। এ নিয়ে সিরিয়ার সঙ্গেও আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই হামলা হয়েছে।

২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর সিরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের পতন ঘটে। এরপর আহমেদ আল সারা প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন।

যেদিন আসাদের পতন হয় ঠিক সেদিনই সিরিয়ার সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালানো শুরু করে ইসরায়েল। তাদের লক্ষ্য ছিল সিরিয়াকে সামরিকভাবে সম্পূর্ণভাবে দুর্বল করে দেওয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..