1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৫ অপরাহ্ন

ফ্যামিলি কার্ড সুপারভাইজার-মাঠকর্মী নিয়োগ: ফলাফল প্রকাশের পর গুঞ্জন, ইউএনওদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩৭ বার পঠিত
৪২

মোঃ মামুন ভুঁইয়া

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ডের সুপারভাইজার ও মাঠকর্মী নিয়োগের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছে
ফলাফল প্রকাশের পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন ওঠে যে, করিমগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমা নাকি বিএনপি নেতাদের সুপারিশে লোক নিয়োগ দিয়েছেন। দুই দিন আগে তাড়াইল উপজেলার ইউএনও একই নিয়োগের ফলাফল প্রকাশ করলে তার বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ ওঠে।
তবে অনুসন্ধানে দুই উপজেলার কোথাও বিএনপির কোনো নেতাকর্মী নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছে এমন সুনির্দিষ্ট তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রার্থী বলেন, ১৬০০ আবেদনের বিপরীতে মাত্র ১৩০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। স্বাভাবিকভাবেই যারা চাকরি পাননি তাদের মধ্যে ক্ষোভ থাকবেই। যারা বিভিন্ন জায়গায় তদবির নিয়ে গিয়েছিলেন কিন্তু তদবির কাজে লাগেনি, তারাই এখন ইউএনওদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
এদিকে এলাকার সচেতন মহলের প্রশ্ন, “যারা ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের নিয়ে চলাফেরা করে, আবার নিজেদের জুলাই যোদ্ধা পরিচয় দেয়, আগের আমলে কি হয়েছে না হয়েছে সেটার কথা বলে, তাদেরকে কেন টার্গেট করা হচ্ছে না?”
তাদের অভিযোগ, বিগত সময়ে ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের লোকজন টাকা নিয়ে ফ্যামিলি কার্ড ও নিয়োগ বাণিজ্য করেছে। এখন যারা নিয়োগ পায়নি তারাই সেই পুরনো চক্রকে আড়াল করতে ইউএনওদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
নেতাদের নিয়ে বিব্রতকর পোস্ট:**
এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে এমপি মহোদয় ড. এম. উসমান ফারুক, টুটুল সাহেব, পাভেল, পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হারুন সরকার সহ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নামে আজেবাজে ও বিব্রতকর পোস্ট দেয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইউএনওদের ভূমিকা:**
করিমগঞ্জ ও তাড়াইল উভয় উপজেলার ইউএনও কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও মেধার ভিত্তিতে হয়েছে। কোনো রাজনৈতিক সুপারিশ গ্রহণ করা হয়নি।
এ বিষয়ে করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে মুসলিমার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়নি। যারা চাকরি পায়নি তারাই এখন বিভিন্ন কথা ছড়াচ্ছে।”
সচেতন মহলের মতে, “নদী শুকিয়ে গেলেও রেগ থেকে যায়”। অতীতের অনিয়মকারীরা এখন নতুন করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে। প্রশাসনের প্রতি তাদের দাবি, যারা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..