শামীম আহমেদ,
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বাড্ডা, গুদারাঘাট, দক্ষিণ বাড্ডা, উত্তর বাড্ডা, লিংক রোডে চলছে চাঁদবাজি ও রমরমা মাদক ব্যবসা। ফুটপাত থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাসাবাড়ি, কনস্ট্রাকশন থেকে নিয়মিত চলছে চাঁদা উত্তোলন। প্রতিদিন ফুটপাতের দোকানগুলোতে দোকান প্রতি ১০০-৫০০টাকা এবং মাসোহারা হিসেবে ৫-১০ হাজার টাকা নেয় এই চক্রটি। যা ভুক্তভোগী ফুটপাতের দোকানদারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায় ।
শুধুমাত্র ফুটপাতে চাঁদাবাজী নয় এদের রয়েছে মাদকের এক বিরাট সিন্ডিকেট। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে মহারাজ নামের একজন ব্যক্তি। যিনি সন্ত্রাস বাহিনীর মাধ্যমে এমনকি যুবলীগের নাম ব্যবহার করে দলের বড় নেতা দাবি করে অপরাজনীতির আড়ালে এই ফুটপাত, বাসাবাড়ী ও কন্সট্রাকশনে চাঁদাবাজীর নিয়ন্ত্রণ করেন।
সরজমিনে দেখা যায় মহারাজের সন্ত্রাসবাহীনির বিস্বস্ত এক ব্যক্তি কামাল ওরফে ল্যাংড়া কামাল তিনিই মহারাজের ডানহাত হিসেবে কাজ করে থাকেন। তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, এ টাকা আমি একা খাই না, পুলিশসহ দলীয় নেতাকর্মীরা সকলেই এতে ভাগ পান। একসময়ের গুলশানের ডিম ব্যবসায়ী মহারাজ আজ কি করে কোটি টাকার মালিক বনে গেলেন? এ বিষয়ে সচেতন মহল বলেছেন, মহারাজের অবৈধ সম্পত্তিগুলো দুদক দ্বারা সঠিকভাবে খতিয়ে দেখা উচিত । বাড্ডা, গুলশান এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে কোটি কোটি টাকা চাঁদা উঠায় মাফিয়া মহারাজ । এই মহারাজ এর নামে একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান স্থানীয় এলাকাবাসি। এমনকি শুধুমাত্র চাঁদাবাজী ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থেকে বর্তমানে মহারাজ ও তার সন্ত্রাসবাহীনি বাড়ি দখল, ফুটপাত দখল, নারী ব্যবসায়, আদম পাচারসহ বিভিন্ন অপকর্মের সাথে জড়িত রয়েছেন।
মহারাজ সহ তার চক্রের নামে বাড্ডা গুলশান থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বাড্ডা থানা জিডি নং ৯৫২ তারিখ ১৬-৭-২০২০ গুলশান থানার জিডি নং ৫৭৮ তারিখ ১৪-৬-২০২০ গুলশান থানায় জিডি নং ১৯০ তারিখ ৫-৬-২০২০ গুলশান থানার জিডি নং ১৯৩ তারিখ ৫-৬-২০২০ গুলশান থানা জিডি নং ১২৪ তারিখ ৩-৬-২০২০ আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে এই চক্রের মূলহোতা মহারাজ এর বিরুদ্ধে এসমস্ত প্রতিবেদন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলেও প্রশাসন এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছেন।
Leave a Reply