কক্সবাজারপ্রতিনিধি:
কক্সবাজারে হোপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে করা ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হোপ আইসোলেশন ও চিকিৎসা কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক পরিচর্যা ও সেবা পাবে কভিড রোগীসহ অন্যান্য রোগীরা।
আজ শুক্রবার সকালে শহরের পশ্চিম বাহারছড়ার কবিতা চত্বর এলাকায় এই আইসোলেশন ও চিকিৎসা কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ।
হোপ ফাউন্ডেশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে এম জাহিদুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আমিন আল পারভেজ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, কোরবানির পর আক্রান্তের সংখ্যা বাড়বে। তাতে হাসপাতালে জায়গা দেওয়া কঠিন হবে। যেকোন পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এখন কঠিনভাবে করোনা প্রতিরোধ করতে হবে, মাস্ক পরতেই হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, গ্রামগঞ্জে আক্রান্তের হার বেড়েই চলেছে। ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মনিটরিং কমিটিকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। গ্রাম এলাকার ওয়ার্ড পর্যায় থেকে প্রশাসন, রাজনৈতিক নেত্ববৃন্দ, জনপ্রতিনিধিসহ সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় করোনা সংক্রমণ রোধে প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে টিম ওয়ার্ক করা হচ্ছে। তাই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মানবিক সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রতিদিন করোনা শনাক্তের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এতে সদর হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দীর্ঘ হচ্ছে। এই হোপ আইসলেশন ও চিকিৎসা কেন্দ্র সদর হাসপাতালের আইসোলেশনের চাপ অনেকটা কমবে।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. নাসিম আহমেদ, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. আবু তাহের চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম, ডব্লিউএইচও এর স্বাস্থ্য পরামর্শক ডা. সেনথানো সায়মন, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. নজিবুল ইসলাম, সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. নওশাদ রিয়াদ, ডা. ইমরুল কায়েস।
এই সেন্টারটিতে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সিলিন্ডারসহ স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন কনসেনট্রেটর যন্ত্র রয়েছে যার সার্বিক পরিচালনায় থাকবে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও দক্ষতা সম্পন্ন তিনজন ডাক্তার, চারজন নার্স, চারজন প্যারামেডিক, পাঁচজন সাপোর্ট স্টাফ, সাতজন আয়া-ক্লিনার, তিনজন সিকিউরিটি গার্ড ও দুজন ওয়াশ ম্যান।
Leave a Reply