শিরোনাম :
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণে বিএনপির নতুন কমিটি নিয়ে উত্তেজনা

ঢাকা উত্তর-দক্ষিণে বিএনপির নতুন কমিটি নিয়ে উত্তেজনা

নিজস্ব প্রতিবেদক :
ফাইল ছবি

হাবীব উন নবী খান সোহেল ও আবদুল কাউয়ুমকে সরিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখায় আহ্বায়ক কমিটি দিয়েছে বিএনপি।আর এ কমিটি ঘোষণার পরই নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
নতুন এ কমিটিতে উত্তরের নেতৃত্বে এসেছেন আমান উল্লাহ আমান। আর দক্ষিণে আবদুস সালাম। দুজনই বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। আমান ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, আর আবদুস সালাম অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব ছিলেন।

গতকাল সোমবার আমানের নেতৃত্বে ঢাকা মহানগর উত্তরে ৪৭ সদস্যের এবং সালামের নেতৃত্বে দক্ষিণে ৪৯ সদস্যের কমিটি দিয়েছে বিএনপি। আগের কমিটির সাধারণ সম্পাদকদেরও নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়নি। ঢাকা দক্ষিণের সদস্যসচিব করা হয়েছে রফিকুল ইসলামকে। আর উত্তরের সদস্যসচিবের দায়িত্বে এসেছেন সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

ওইদিন বিকেলে গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়। বিএনপির কেন্দ্রীয় দফতরের চলতি দায়িত্বে থাকা কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কমিটি অনুমোদন দিয়েছেন।

তবে এ কমিটি ঘোষণার পরই নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সূত্র জানিয়েছে, শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে এ কমিটি প্রত্যাখ্যান করবেন আগের কমিটির নেতারা। গত কমিটির নেতাদের দাবি, কোনো ধরনের ব্যর্থতা না থাকলেও বিশেষ মহলের ইঙ্গিতে এ কমিটি করা হয়েছে।

হাবীব উন নবী খান সোহেলের ঘনিষ্ঠ এক স্বজন বলেন, সোহেলকে সরাতে অনেক দিন ধরে সক্রিয় মির্জা আব্বাস। মাঠে না থাকলেও টাকা দিয়ে দলের নেতাদের কিনেছেন তিনি। কিন্তু সোহেল মাঠে থেকে গুলি খেয়ে, জেলে গিয়েও পদ রক্ষ করতে পারলো না। দলের জন্য এত ত্যাগ করার পরেও যদি এ পরিণতি হয়, তবে নেতাকর্মীরা বিএনপির প্রতি নিরুৎসাহিত হবে, এটাই স্বাভাবিক। তারেক রহমানকে এ কমিটি পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানাই।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক সদস্য বলেন, আগের কমিটির কেউ কেউ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। কিন্তু সবাইকে সরানো ঠিক হয়নি। এতে মাঠের কর্মীরা নিরুৎসাহিত হবে। নতুন কমিটির ঘোষণায় অনেকে ক্ষুব্ধ হয়েছেন। আমি আশা করব, টাকার কাছে সব কিছুর পরাজয় যাতে না হয়। এতে দলেরই ক্ষতি হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com