যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

কুমিল্লা মনোহরগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

কুমিল্লা মনোহরগঞ্জে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

 

লাকসাম প্রতিনিধি:
মারিয়া আক্তার

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে মারিয়া আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিহত গৃহবধূ উপজেলার ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের বচইড় গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে আমান উল্লাহ’র স্ত্রী। স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়ি এবং দেবর-ননদ মিলে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত করেছে বলে ওই গৃহবধূ মারিয়ার বাবার অভিযোগ।

বুধবার পুলিশ ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় নিহত গৃহবধূর বাবা লাকসাম উপজেলার বেতিহাটি গ্রামের মোর্শেদ আলম মনোহরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগেরদিন মঙ্গলবার দুপুরে ওই গৃহবধূর সঙ্গে তার স্বামী, শাশুড়ি এবং ননদ এবং দেবরের পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হয়। ওই ঝগড়া-বিবাদের জের ধরেই ওই গৃহবধূ বিষপান করে। পরে তাকে প্রথমে মনোহরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেওয়া হয়। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেন। পরে তারা কুমিল্লায় এবং সর্বশেষ ঢাকায় নেওয়া হলে সেখানে ওই গৃহবধূ মারা যায়।
নিহত মারিয়ার মা ফাহিমা আক্তার জানান, বিয়ের পর থেকে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার মেয়েকে নানা অজুহাতে শারীরিক ও মানসিক ভাবে চরম নির্যাতন করতো।

তিনি জানান, ঘটনার দিন রাত অনুমান সাড়ে ৮ টার দিকে মারিয়ার স্বামী আমান উল্লাহ জানায়, মারিয়া খুব অসুস্থ। কি যেন খেয়েছে। সম্ভবত বিষ। আমি তাকে নিয়ে কুমিল্লায় একটি হাসপাতালে এসেছি। এর কিছুক্ষণ পর আমি মারিয়ার অবস্থা জানতে চাইলে সে (স্বামী) জানায় তাকে ঢাকা নিয়ে যাচ্ছি। একপর্যায়ে রাত অনুমান পৌনে দুইটার দিকে জানতে পারি আমার মেয়ে মারা গেছে। নিহত মারিয়ার এক বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে।

তিনি আরো জানান, তার মেয়ের ওপর নির্যাতনের কারণে গোবিন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন শামীমসহ গণ্যমান্য বক্তিবর্গের মধ্যস্থতার একাধিক সালিশ-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) আমার মেয়েকে তার স্বামী আমান উল্লাহ আমাদের বাড়ি থেকে তার বাড়ি (বচইড়) নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর থেকেই স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায়। এসব বিষয়ে তিনি গোবিন্দপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন শামীমকে অবহিত করেন।

নিহত মারিয়ার বাবা-মায়ের দাবি তাদের মেয়েকে স্বামী, শ্বশুর-শাশুড়িসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে।

মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহাবুল কবির জানান, নিহত ওই গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com