বিনোদন ডেস্ক:
অভিষেক চট্টোপাধ্যায় জনপ্রিয় অভিনেতা ছিলেন বটে, তবে শীর্ষ নায়ক হওয়ার দৌড়ে তিনি যেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে টেক্কা দিতে পারতেন না। সামনে এগোতে গিয়ে আবার পিছিয়ে যেতেন।
তবে একটা সময় তিনি এক নম্বর হয়েছিলেন ঠিকই। কিন্তু বেশিদিন থাকতে পারেননি। এজন্য জীবদ্দশায় অভিষেক তার সমসাময়িক প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তের ‘ফিল্ম পলিটিক্স’কে দায়ী করেছিলেন।
এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বলেছিলেন, তখন আমি ইন্ডাস্ট্রির এক নম্বর নায়ক। প্রসেনজিৎ ও ঋতুপর্ণা নোংরা পলিটিক্স করে ৩০-৩২টি ছবি থেকে আমাকে বাদ দেয়। দীর্ঘদিন কোনো কাজ পাইনি। ডিপ্রেশনে চলে যাই আমি।
কাজ না থাকায় আর্থিক সংকটে পড়েছিলেন অভিষেক। তাই বাধ্য হয়ে যাত্রাপালায় নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। অভিষেক বলেছিলেন, নোংরা রাজনীতির শিকার হতে হয়েছিল আমাকে। নয় বছর হাতে কোনো কাজ ছিল না। বাধ্য হয়ে যাত্রাদলে যোগদান করি। একটা সময় ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।
তবে অভিষেকের এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে তখন পাল্টা কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি প্রসেনজিৎ। ঋতুপর্ণাও কখনো বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলেননি।
জীবনের শেষদিকে ছোট পর্দায় কাজ করছিলেন অভিষেক। বড় পর্দায় সেভাবে দেখা যায়নি। কারণ হিসেবে তিনি জানিয়েছিলেন, বয়স বেড়ে যাওয়ায় নায়ক-নায়িকাদের বাবার চরিত্রে অভিনয় করতে হবে বলে সিনেমার প্রতি আগ্রহ হারিয়েছিলেন। তাই সিরিয়ালেই অভিনয় করতেন তিনি।
Leave a Reply