যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

যুবকের কারাদণ্ড , এডিট করা ছবি ফেসবুকে

যুবকের কারাদণ্ড , এডিট করা ছবি ফেসবুকে

বগুড়া প্রতিনিধি :
দীর্ঘ দিন ধরে দশম শ্রেণির এক মেয়েকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন জুয়েল রানা। মেয়েটির পরিবার থেকে বিচারও দেওয়া হয় জুয়েলের বাবার কাছে। এতেও মেলেনি কোনো সমাধান। উল্টো ক্ষিপ্ত হয় জুয়েল। পরে ‘অবুঝ ভালোবাসা’ নামে নিজের এক ফেসবুক আইডি থেকে ছড়িয়ে দেন এডিট করা মেয়েটির আপত্তিকর ছবি। মুহূর্তেই গ্রাম জুড়ে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। মেয়েটির বাবা ছুটে যান ইউএনওর কাছে। অবশেষে জুয়েলকে আটক করে দেওয়া হয় ১৫ দিনের কারাদণ্ড।
ঘটনাটি বগুড়ার ধুনট উপজেলার। কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জুয়েল ওই উপজেলার উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গুয়াডহরী গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম আইয়ুব আলী।

মেয়েটির বাবার অভিযোগের ভিত্তিতে জুয়েলকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে অপরাধ স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ডাদেশ দেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত।

ইউএনও’র কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দশম শ্রেণির এক মাদরাসা ছাত্রীকে দীর্ঘ দিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল জুয়েল। এ বিষয়ে জুয়েলের বাবার কাছে বিচার দিয়েও প্রতিকার পায়নি মেয়েটির পরিবার। তবে বাবার কাছে বিচার দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয় জুয়েল। শনিবার দুপুরে অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘অবুঝ ভালোবাসা’ নামে নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এডিট করে ওই মেয়েটির আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেয় জুয়েল। পরে মেয়েটির বাবা ইউএনও’র কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে এদিন বিকেলে জুয়েলের বাড়িতে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করা হয়। ওই সময় জুয়েলকে আটক করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতে মেয়েটির আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন জুয়েল। পরে তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। এ সময় জুয়েলের ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও জব্দ করা হয়। অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, জুয়েল গ্রামে একজন মাদকাসক্ত ও বখাটে ছেলে হিসেবে চিহ্নিত। দশম শ্রেণির ওই মাদরাসাছাত্রীকে জুয়েল প্রায়ই রাস্তায় উত্ত্যক্ত করতো। ওই বিষয়ে তার বাবার কাছে বিচারও দিয়েছিল মেয়েটির পরিবার। এতে সমাধানের বদলে মেয়েটির পরিবাকে উল্টো ঝামেলায় পড়তে হয়। কারণ ক্ষিপ্ত হন জুয়েল। পরবর্তীতে ফেসবুকে মেয়েটির অশ্লীল ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপরই পুরো গ্রাম জুড়ে জুয়েল ও মেয়েটিকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে মেয়েটির ছবি এডিট করা হয়েছিল বলে তারা জানতে পেরেছেন।

বগুড়ার ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, জুয়েলকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তাকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। রোববার তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com