শামীম আহমেদ
রাজধানী মিরপুরের পল্লবীতে বাড়িওয়ালার সমিতির নামে মোহাম্মদ হাদি ও ইদ্রিস আলী নামের দুই ব্যক্তির বাড়ি দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে ।
জানাযায় – পারভিন আক্তার ও তার স্বামী তাইজ উদ্দিন মিয়ার পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে বাড়ি দখল করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ইদ্রিস আলী ও মোহাম্মদ হাদি নামের দুই ব্যক্তি । স্থানীয় বাড়িওয়ালার সমিতির কথা বলে বিভিন্ন বাড়ি থেকে চাঁদা উত্তোলন সহ সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে নানা অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে মিরপুর পল্লবী সহ মিরপুরে আশপাশ এলাকায় । এ বিষয়ে স্থানীয় বাড়িওয়ালাদের মধ্যে একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন , তাদের হাতে ব্যাপক ক্ষমতা।
পুরো পল্লবীতে সন্ত্রাস বাহিনী দিয়ে একাকীত্ব রাজ করছেন এই দুইজন, কেউ কিছু বললে তার অস্তিত্ব থাকে না বললেই চলে কিছুদিন আগে এক বাড়িওয়ালার কাছে চাঁদা চায় এই চক্রটি তিনি দিতে রাজি না হলে স্থানীয় পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করলে পুলিশ এসে তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান করলেও ওই পুলিশকে পল্লবী থানা থেকে ট্রানস্ফার করে দেওয়া হয় বলে জানাযায়।
ওই বাড়িওয়ালার সমিতির সভাপতি মোঃ সবির উদ্দিন শেখ প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়র পরিচয় দেয় এবং এই সভাপতির চোখকে অন্ধ বানিয়ে এই ধরনের অপকর্ম করে বেড়াচ্ছে সভাপতির সঙ্গে থাকা এই দুই ব্যক্তি মোহাম্মদ হাদি ও ইদ্রিস আলী । ইদ্রিস আলী ও মোহাম্মদ হাদি পুরো পল্লবীতে সন্ত্রাস বাহিনী গড়ে তুলে নির্মম অত্যাচার করে বাড়িয়ালাদের উপর এ বিষয়ে একই সমিতির সভাপতি মোঃ সবির উদ্দিন শেখ কিছুই জানেন না বলে জানান স্থানীয় লোকজন । তারা বলেন সমিতির সভাপতি মোঃ সবির উদ্দিন শেখ একজন ভালো মানুষ এসব বিষয় তিনি কিছুই জানেনা ।
তবে কারও সঙ্গে কোনো ঝামেলায় পড়লে সভাপতি কে উল্টোপাল্টা বুঝিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে ফোন করায় তাই পুলিশ প্রশাসন কিছু বলতে পারছেন না ।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার পারভিন আক্তার বলেন , আমার বড়ো বোন মোহছেনা বিগত ৪০ বছর আগে যখন মারা যায় । মারা যাওয়ার সময় তার ঘরে এক ছেলে মোঃ তোফায়েল আহমেদ (জীবন ) ও এক মেয়ে আয়েশা আক্তার সেলিনা, কে রেখে যায় এই ছেলে মেয়েকে দেখাশোনার জন্য তৎকালীন সময় পারিবারিকভাবে আমার ওই বোনের স্বামী তাইজ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গেই আমার বিবাহ হয় । এবং আমার ঘরে বর্তমানে ৪,জন কন্যা সন্তান ও ১ জন পুত্রসন্তান রয়েছে।
ভালোভাবে সংসার কাটছিল আমাদের আমার বোনের ছেলে বর্তমান আমার বড়ো ছেলে তোফায়েল আহমেদ ( জীবন) প্রবাসে যেতে চাইলে তাকে ইউরোপ পাঠাই । এবং আয়েশা আক্তার সেলিনা কে পাত্র দেখে বিবাহ দেই , সবকিছু সমাধান করে যখন দুঃখ সুখ পরিবারের মাঝেই ভাগাভাগি করে নিয়েছিলাম ,
ঠিক তখনই একটি ঝামেলা শুরু হয় আমার বোনের ছেলে বর্তমান আমার বড় ছেলে তোফায়েল আহমেদ জীবন, কে কুপরামর্শ দিতে থাকে ইদ্রিস আলী ও মোহাম্মদ হাদী নামের দুই ব্যক্তি একই সাথে আমার বড় মেয়ে আয়েশা আক্তার সেলিনা কে ও কুপরামর্শ দেয় এই স্থানীয় সমিতির নামধারী সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান ইদ্রিস আলী ও মোহাম্মদ হাদি এবং আমার স্বামীকেও তাদের হাত থেকে রক্ষা করতে পারি তারা আমার স্বামীকেও কুপরামর্শ দিয়ে তার সম্পত্তি বিক্রি করার তালবাহানা করে যাচ্ছে লক্ষ করতে পেরেছি , এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে অন্যথায় আমার স্বামী আমার সন্তানকে কুপরামর্শ দিয়ে বাড়ি বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করবে এই দুই ব্যক্তি ,
আমি বাড়ি ছেড়ে চলে না গেলে আমার বড়ো ছেলে তোফায়েল আহমেদ জীবন কে কুপরামর্শ দিয়ে আমাকে খুন করাতে বাধ্য করবে । আমি কিছুদিন যাবৎ লক্ষ্য করতে পেরেছি আমার বাড়ির আশপাশে অচেনা কিছু লোকজন ঘোরাফেরা করছে । আমি তাদেরকে বাড়ির সামনে ঘোরাফেরার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার উপর চওড়া হয় , এবং আমার মেয়েরা বাইরে বের হলে তাদের পিছনে পিছনে গিয়ে নানান বাজে কথা সহ ছবি তোলার চেষ্টা করে ,
এসব বিষয় নিয়ে থানায় অভিযোগ করলে আমাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আসলে সত্যতা পায় । এবং ইদ্রিস ও মোহাম্মদ হাদি কে , এসব অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে বললে , ওই পুলিশকে কিছুদিনের মধ্যে ওই থানা থেকে অন্য জায়গায় ট্রান্সফার করা হয় , এরপর থেকে শুরু হয় আরো বেশি তাদের হুংকার তারা প্রধানমন্ত্রীর আত্মীয়ের বন্ধু পরিচয় দেয় , আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি তাই আবারও পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছি ,
আমি দ্বিতীয়বারের মতো পুলিশের ডায়েরি করলে তারা বলে কিভাবে আমি আমার বাড়িতে থাকি সেটা তারা দেখে নেবে। বর্তমানে আমার বাসার কোন ময়লা আবর্জনা নিচ্ছে না ময়লাওয়ালা । আমি ময়লাওয়ালাদের সাথে কথা বললে তারা আমাকে বলে আপনার বাড়ির ময়লা আবর্জনা নেয়া নিষেধ আপনার যা বলার সমিতি অফিসে বললেন গিয়ে ।
তবে এ বিষয় – মোহাম্মদ হাদি বলেন ওনার অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট ।
এ বিষয়ে , পল্লবী থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রধান করাই আমাদের দায়িত্ব ভিকটিম একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন আমরা সেদিকে খতিয়ে দেখছি
প্রথম পর্ব
Leave a Reply