৩ আগস্ট, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
ভৈরবে ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে নিজ বাড়ী থেকে রাতের বেলায় তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া যায় ।
গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান সবুজ ও ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.গোলাম মোস্তফা নিকট এমন অভিযোগ করেন নির্যাতিতার মা রোজিনা বেগম।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার রাতে পৌর শহরের চন্ডিবের উত্তরপাড়ার মো.জুয়েল মিয়ার নিজ বাসার বাতরোম করে ঘরে আসার পথে সোরাফ মিয়া ছুরি দিয়ে ভয় দেখিয়ে বাড়ীর পিছনের নির্জন স্থানে ধর্ষণ করে বলে বাদী ও তার মেয়ে জানান।
পরর্বতীতে শিক্ষার্থীর মা বাসা ফিরে এসে মেয়েকে না পেয়ে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুজি করে বাড়ির পাশে কান্না করতে দেখে মেয়েকে। কেন কান্না করছে জানতে চাইলে সে বলে সোরাফ মিয়া তাকে জোর করে বাড়ী থেকে তুলে এনে শারীরিক নির্যাতন করে ফেলে পালিয়ে যায়।
এই ঘটনায় বিচার পেতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসির নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় মাতব্বরা সকালে ৫০ হাজার টাকায় বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে।
ভোক্তভোগীর মা রোজিনা বেগম জানান, আমার মেয়েকে বাড়ীতে একা পেয়ে মাদকাসক্ত সোরাফ জোর করে তুলে নিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। এই ঘটনার বিচার পেতে আমি অভিযোগ করেছি।
মেয়ের দাদী জানান এ পর্যন্ত চারবার সোরাফ তাকে ৪ বার ধর্ষণ করেছে, আমরা টাকা চাইনা এর সঠিক বিচার চাই।
ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিকুর রহমান সবুজ বলেন, আজ দুপুরের দিকে এক মা অভিযোগ নিয়ে আসেন। আমি অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিক ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.গোলাম মোস্তফাকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করি।
এই বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি তদন্ত শাহআলম কে ফোন করলে তিনি জানান এই ঘটনায় প্রাথমিক সালিশ হয়েছে, তারপর নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করা হয়েছে এবং ভৈরব থানায়ও অভিযোগ করা হয়েছে, আমরা তদন্ত করে এর সঠিক ব্যবস্থা নেব।
অভিযোগ কারার পর থেকে সোরাফ পলাতক রয়েছে।
Leave a Reply