শারমিন আরা, ঝিনাইদহ
বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃত স্বামী-শশুরের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকতা-কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব মোড়ালের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
নিশাত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ফোকলোর বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের গোলাম কিবরিয়ার মেয়ে। তার স্বামী গাংনীর পদ্মা এন্টারপ্রাইজের মালিক হাসেম শাহর ছেলে আশিকুজ্জামান প্রিন্স।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু শিবলী মো. ফাতেহ আলীর তত্ত্বাবধানে সকাল ১১ টায় এ মানববন্ধন শুরু হয়েছে। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ নিহতের এলাকার অনেকে অংশ নেন। এ সময় তারা হত্যাকারীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।
মানববন্ধন চলাকালে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অধ্যাপক ড. মৌসুমী মৌ, ড. এরশাদুল হক। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাইহানা নিগার, মোখলেছুর রহমান সুইট, সাদিয়া, পারিজাত সুলতানসহ প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
এসময় চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোখলেসুর রহমান সুইট বলেন, সহপাঠী হত্যায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে। ইতোমধ্যে আসামীদের পুলিশ আটক করেছে। সে আমাদের সহপাঠী ছিলো আমরা তার বিষয়ে অনেক ভালোভাবেই বলতে পারি সে আত্মহত্যা করার মতো মেয়ে না। আমরা আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আইনের কাছে দাবি করছি।
এসময় নিহত শিক্ষার্থীর শিক্ষক ও ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আবু শিবলী মো. ফাতেহ আলী বলেন, উর্মি ছিলো নম্র ভদ্র ও সাধারণ মেয়ে। তাকে তার স্বামী নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরিকল্পিত এ হত্যাকাণ্ডকে অপরাধীরা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। অপরাধী সে যতবড় প্রভাবশালী হোক না কেন আইনের কাছে সবাই সমান। আসামীকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে এই আমাদের প্রত্যাশা।
Leave a Reply