যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

নেত্রকোনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত যুবকের মৃত্যু

নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি,

নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জেরে স্থানীয় দুই প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আহত যুবক কাওসার আলম ওরফে আবদুর রব (৩৩) মারা গেছেন।

শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনায় জড়িত অভিযোগে রাকিব মিয়া নামের এক যুবককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এর আগে গত বুধবার সকালে সুখারি ইউনিয়নের করারধুপ গ্রামের সামনের মাঠে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

 

নিহত কাওসার আলম করারধুপ গ্রামের মৃত আবদুর রাজ্জাকের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। আর গ্রেফতার হওয়া রাকিব মিয়া একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, করারধুপ গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুটি বিবদমান পক্ষ রয়েছে। এর একপক্ষের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইকবাল হোসেন, অপরপক্ষে কাছু মিয়া। পক্ষ দুটির মধ্যে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। সম্প্রতি গ্রামের মসজিদে ইমাম নিয়োগ কেন্দ্র করে আবারও বিরোধ দেখা দেয়। ইকবাল হোসেনের পক্ষের লোকজন বর্তমান ইমামকে রাখার দাবি জানান। আর কাছু মিয়ার পক্ষের লোকজন নতুন ইমাম নিয়োগের দাবি জানান। গত বুধবার সকালে এ নিয়ে দুপক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। গ্রামের সামনের মাঠে প্রায় ঘণ্টা সময়ব্যাপী চলা দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। এ সময় একপক্ষ অপরপক্ষের ঘরবাড়িতেও হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে।
পরে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। আহতদের পার্শ্ববর্তী মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ছাড়াও নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ শুক্রবার সকাল ছয়টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইকবাল হোসেনের পক্ষের আহত কাওসার আলম মারা যান। ঘটনায় নিহতের বড় ভাই নূর মোহাম্মদ বাদী হয়ে আজ সকালে ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। অজ্ঞাত আরো সাতজনকে আসামি করা হয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজহারের ২৫ নম্বর আসামি রাকিবকে গ্রেফতার করে।

 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দুই পক্ষের নেতৃত্ব দেওয়া ইকবাল হোসেন ও কাছু মিয়ার মুঠোফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তবে আটপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম আজ বিকেলে বলেন, নিহত যুবকের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে। মামলায় উল্লিখিত আসামিদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতার করতে অভিযান চলছে। সার্বিক পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com