শিরোনাম :
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে বন্দরে অচলাবস্থা

চট্টগ্রাম শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে বন্দরে অচলাবস্থা

চট্টগ্রামপ্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতি
নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের কাছে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক-কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বন্দর জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কাজে যোগ দেননি বন্দরের কর্মচারী ও বেসরকারি শ্রমিকরা। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে এনসিটিতে বেসরকারি ডিপো থেকে আনা রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজে তোলার কার্যক্রম চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খোকন বলেন, ‘আমাদের কর্মসূচিতে কর্মচারী ও শ্রমিকরা যোগ দিয়েছেন। বিকেল ৪টা পর্যন্ত শ্রমিকদের কর্মবিরতি চলবে।’

 

সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপি ওয়ার্ল্ডের কাছে এনসিটি ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এ কর্মসূচির ডাক দেয় বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। কর্মসূচি অনুযায়ী রোববারও (১ ফেব্রুয়ারি) ৮ ঘণ্টা প্রশাসনিক ও অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখা হবে।

এদিকে আন্দোলনের নামে বন্দরের কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বন্দর কর্তৃপক্ষের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন, সভা-মিছিল এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দেওয়া আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী দ্রুত বিচার আইন ২০০২, ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা–১৯৭৯’ ও ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা-১৯৯১’-সহ সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী সুস্পষ্ট পেশাগত অসদাচরণ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে, যা রাষ্ট্রীয় স্বার্থবিরোধী।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com