নিজস্ব প্রতিবেদক :
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তার নিজ অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতের সঙ্গে তার নিজ অফিসকক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন
আগামী বছর থেকেই ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
তিনি বলেছেন, দুই দেশের বাড়তে থাকা বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশির যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা-নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) বিমানবন্দর রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠককালে এসব কথা বলেন বিমানমন্ত্রী। বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিমান চলাচল খাতে সহযোগিতা বাড়ানো, উড়োজাহাজ কেনা, বিনিয়োগ এবং পর্যটনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে সরাসরি ফ্লাইট চালুর উদ্যোগে বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
তবে, যুক্তরাষ্ট্রে সরাসরি বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালনার জন্য মার্কিন ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফএএ) ‘ইন্টারন্যাশনাল এভিয়েশন সেফটি অ্যাসেসমেন্ট’ (আইএএসএ) ক্যাটাগরি-১ মর্যাদা অর্জন করা জরুরি বলেও জানান মন্ত্রী।
রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, ইতিমধ্যে মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই হয়েছে।
গত এপ্রিলে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের ওই চুক্তির আওতায় আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে। ২০৩১ সালের নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২০৩৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে উড়োজাহাজগুলো পাওয়া যাবে।
সূত্র জানিয়েছে, বহর সম্প্রসারণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িং ও এয়ারবাসের আরও ২১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।