1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ অপরাহ্ন

হরিরামপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে পতাকা উত্তোলন হয়নি ডাকবাংলো ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১ বার পঠিত

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি:
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কথা থাকলেও মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে ডাকবাংলো ও মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) সরেজমিনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি শাখার গত ২ নভেম্বর ২০২৬ তারিখের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
তবে সরেজমিনে দেখা যায়, জেলা পরিষদ মানিকগঞ্জের অধীন হরিরামপুর ডাকবাংলোর প্রধান ফটক তালাবদ্ধ রয়েছে। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেয়ারটেকার মো. মুন্নু মিয়াকেও পাওয়া যায়নি। ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কোনো দৃশ্য চোখে পড়েনি।
অন্যদিকে, হরিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়নি। ভবনটি তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখা যায়। এ ভবনের দায়িত্বে থাকা মো. আক্তার মিয়া অস্থায়ীভাবে কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সরকারি কোনো বেতন বা ভাতা পান না। মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের উদ্যোগে যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী তাকে সম্মানী দিয়ে থাকেন। তবে সরেজমিনে তাকেও উপস্থিত পাওয়া যায়নি। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
একটি জাতীয় দিবসে সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দুটি সরকারি স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন না হওয়ায় স্থানীয় সচেতন মহলে প্রশ্ন ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন খান কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সাইফুদ্দিন আহমেদ নান্নু বলেন, জাতীয় পতাকা হলো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। নির্ধারিত দিবসে পতাকা না তোলা বা অবহেলা করা মানে জাতীয় মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন করা। তাই আইন অনুসারে এটি নিয়মিত পালন করা উচিত।
এ বিষয়ে হরিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা আক্তারের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান মুঠোফোনে বলেন, আমি বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে জানতে পারলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করছি।
এদিকে, জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে পরে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করছি।
জাতীয় পতাকার মর্যাদা রক্ষা এবং সরকারি নির্দেশনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে দায়িত্বপ্রাপ্তদের কোনো অবহেলা ছিল কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..