নিজস্ব প্রতিবেদক:
যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা। বাড়তি ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পিকআপভ্যান ও তিন চাকার যানে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তোলা ছবি- সৌজন্যে স্টার মেইল
যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরা। বাড়তি ভাড়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন পিকআপভ্যান ও তিন চাকার যানে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকা থেকে তোলা ছবি- সৌজন্যে স্টার মেইল
দেশে করোনাভাইরাসের ডেল্টা ধরনের সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়ায় সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি।
এ খবর শুনে শুক্রবার থেকে বিকল্প উপায়ে রাজধানী ঢাকা ছেড়ে গ্রামের দিকে ছুটছে মানুষ।
রাজধানীর প্রবেশমুখ ও বাহিরের অন্যতম সড়ক গাবতলী এলাকা, ঢাকা- মাওয়া রোড, ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অসংখ্য মানুষ। ঢাকা ছাড়া উদ্দেশ্যে শুক্রবার সকাল থেকে ওইসব স্থানে মানুষের ঢল নামে।
বাস বন্ধ থাকায় সুযোগ পেলেই কয়েক ধাপে কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে গন্তব্যে ছুটছেন মানুষ।
এদিকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনো গাড়িকেই ঢাকায় ঢুকতে বা বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। তবুও ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না মানুষের ঢল।
রাকিব হাসান নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, শাটডাউন দিলে ঢাকায় কোনো কিছুই করতে পারব না। শাটডাউনের খবর পেয়ে বাড়িতে ছুটছি। ফুটপাতের ব্যবসা বন্ধ থাকলে ঢাকায় থেকে কী করব? ঢাকায় থাকলে খরচ তো হবেই।
ওদুদ মিয়া নামের এক ভ্যানচালক বলেন, নৌযান, বাসসহ অন্যান্য গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। কিন্তু এ পরিস্থিতিতে যানবাহন না পেয়ে অনেকেই কাভার্ডভ্যান, ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন বিকল্প বাহনে বাড়ি যাচ্ছেন। শাটডাউন হলে ভ্যান চালাতে পারব না। খবর পেয়েই এখানে এসেছি। পরিস্থিতি অনুযায়ী কয়েকগুণ ভাড়া বেশি দিয়ে যেকোনো গাড়িতে বাড়ি যাবো।
নির্মাণ শ্রমিক জুনেদ আহমদ বলেন, ঢাকায় আসা ট্রাক, কার্ভার্ডভ্যান, মোটরসাইকেল, প্রাইভেটকার করে মানুষ বাড়ি চলে যাচ্ছে। আমিও যেকোনো একটি উপায়ে বাড়ি ফিরবো।
উল্লেখ্য, সারাদেশে ১৪ দিনের শাটডাউনের সুপারিশ করার পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন তা বাস্তবায়নের ব্যাপারে যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ইঙ্গিত করেছেন।
Leave a Reply