1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন

মানুষকে স্মরণ করতে হবে সামাজিক অবদানের জন্য:ফকির মাহবুব আনাম

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত
২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেছেন, সমাজে যারা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন, তাদের ধর্ম, দল বা পরিচয় দিয়ে নয়- তাদের কর্মের মাধ্যমে স্মরণ ও মূল্যায়ন করতে হবে। মানুষের সামাজিক অবদানকে স্বীকৃতি দিলে নতুন প্রজন্মও সমাজের জন্য কাজ করতে উৎসাহিত হবে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ওসমান জামাল মিলনায়তনে ছায়ানীড় আয়োজিত ‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি স্মারক সম্মাননা প্রকাশনা ও সংবর্ধনা ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সামাজিক অবদানের জন্য মানুষকে স্মরণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে, অতীতে কারা সমাজ ও দেশের জন্য কী অবদান রেখে গেছেন। তাদের সম্পর্কে জানলে তরুণরাও ভবিষ্যতে সামাজিক কাজে উৎসাহিত হবে। কারণ, মানুষ তখনই সামাজিক কাজে আগ্রহী হয়, যখন দেখে ভালো কাজ করলে সমাজ তাকে মনে রাখে।

তিনি বলেন, টাঙ্গাইলের ইতিহাস ও ঐতিহ্যে অনেক গুণী মানুষের অবদান রয়েছে। নবী হাসান চৌধুরী, আবদুল হামিদ খান, প্রসাদ সাহা, ইব্রাহিম সাহা, আবু সাদ চৌধুরীসহ অনেকেই সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে গেছেন। কিন্তু নতুন প্রজন্মের অনেকেই তাদের অবদান সম্পর্কে জানে না। তাদের এসব ইতিহাস জানাতে হবে এবং বই পড়ার প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হবে।

‘শতবর্ষের সফল ব্যক্তি’ নিয়ে প্রকাশিত বইয়ের প্রশংসা করে ফকির মাহবুব আনাম বলেন, এ ধরনের বই আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রয়োজন হলে তিনি বইটি বিভিন্ন লাইব্রেরিতে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে সহযোগিতা করবেন বলেও জানান।

অনুষ্ঠানে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরে তাদের স্মরণ ও সম্মান জানানোর উদ্যোগের প্রশংসা করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইল-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান মতিন, আবুল কাশেম চৌধুরী এবং ছায়ানীড়ের সভাপতি ড. ইউসুফ খানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মন্ত্রী কৃতী ব্যক্তিদের নিয়ে প্রকাশিত বই সংগ্রহ ও পড়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গুণী ও সফল ব্যক্তিদের অবদান তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এদিকে অনুষ্ঠানের বক্তব্যে কৃতী ব্যক্তিদের অবদান সংরক্ষণ ও নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে শতবর্ষের সফল ব্যক্তিদের স্মৃতি ও অবদানকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..