কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে সরকারি কর ফাঁকি দিয়ে আনা এক কোটি ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, লেহেঙ্গা, তেল, ফেসওয়াস, মেহেদি, টুথপেস্ট ও ওষুধসহ চার চোরাকারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে র্যাব-১৪ সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর শাহরিয়ার মাহমুদ খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাকারবারির বিষয়টি জানার পর সত্যতা যাচাইয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বালিখোলা বাজার ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কুতুব উদ্দিনের গুদাম ঘর থেকে এসব অবৈধ মালামাল উদ্ধার করাসহ মাসুক মিয়া, কুতুব উদ্দিন, আক্তার হোসেন ও আবু সিদ্দিককে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় ২ হাজার ৯৬৮ পিস শাড়ি, ৩৯৯ পিস লেহেঙ্গা, ছোট বড় ২ হাজার ১৯২ পিস তেল, ২ হাজার ৫২০ পিস ফেসওয়াস, ৩ হাজার ৩৬০ পিস অ্যান্টিসেপ্টিক আয়ুর্বেদিক ক্রিম, ৮ হাজার ৬৪০ পিস মেহেদিসহ নগদ ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
মেজর শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ বর্ডার এলাকা দিয়ে ভারতীয় এসব পণ্য শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে নৌপথে পাচারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হতো বলে জানিয়েছে তারা। তাদের ব্যাপারে করিমগঞ্জ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে সরকারি কর ফাঁকি দিয়ে আনা এক কোটি ৫ লাখ ৬৬ হাজার ৬৮০ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি, লেহেঙ্গা, তেল, ফেসওয়াস, মেহেদি, টুথপেস্ট ও ওষুধসহ চার চোরাকারবারিকে আটক করেছে র্যাব।
শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে র্যাব-১৪ সিপিসি-২ কিশোরগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর শাহরিয়ার মাহমুদ খান এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চোরাকারবারির বিষয়টি জানার পর সত্যতা যাচাইয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার বালিখোলা বাজার ঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কুতুব উদ্দিনের গুদাম ঘর থেকে এসব অবৈধ মালামাল উদ্ধার করাসহ মাসুক মিয়া, কুতুব উদ্দিন, আক্তার হোসেন ও আবু সিদ্দিককে আটক করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ভারতীয় ২ হাজার ৯৬৮ পিস শাড়ি, ৩৯৯ পিস লেহেঙ্গা, ছোট বড় ২ হাজার ১৯২ পিস তেল, ২ হাজার ৫২০ পিস ফেসওয়াস, ৩ হাজার ৩৬০ পিস অ্যান্টিসেপ্টিক আয়ুর্বেদিক ক্রিম, ৮ হাজার ৬৪০ পিস মেহেদিসহ নগদ ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা উদ্ধার করা হয়।
মেজর শাহরিয়ার মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সুনামগঞ্জ বর্ডার এলাকা দিয়ে ভারতীয় এসব পণ্য শুল্ককর ফাঁকি দিয়ে নৌপথে পাচারের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া হতো বলে জানিয়েছে তারা। তাদের ব্যাপারে করিমগঞ্জ থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
Leave a Reply