শিরোনাম :
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

সোনারগাঁ ৩১৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৩ শিক্ষক, চরম সংকটে পাঠদান

সোনারগাঁ ৩১৩ শিক্ষার্থীর জন্য ৩ শিক্ষক, চরম সংকটে পাঠদান

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সাদিপুর ইউনিয়নে অবস্থিত ৩৯ নম্বর কাজহরদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তীব্র শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান কার্যক্রম। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ছয়টি শ্রেণিতে মোট ৩১৩ শিক্ষার্থীর দায়িত্ব বর্তমানে মাত্র তিন শিক্ষকের ওপর পড়েছে।

জানা গেছে, ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত এ বিদ্যালয়টি আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য একমাত্র ভরসাস্থল। তবে শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষা ব্যবস্থায় চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর প্রধান শিক্ষক দুলাল মিয়ার বদলির পর থেকে এখনো নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বর্তমানে শিক্ষিকা মমতাজ আক্তার ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিদ্যালয়ে নিয়ম অনুযায়ী সাতজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও কখনোই পাঁচজনের বেশি শিক্ষক ছিলেন না। বর্তমানে চারজন শিক্ষিকা কর্মরত থাকলেও তাদের মধ্যে একজন মাতৃত্বকালীন ছুটিতে রয়েছেন। ফলে তিনজন শিক্ষিকাকেই সব শ্রেণির পাঠদান চালাতে হচ্ছে। এর মধ্যে একজন শিক্ষিকার বদলির আদেশও রয়েছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে এবং প্রত্যাশিত ফলাফল অর্জন কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। তারা দ্রুত শূন্যপদে শিক্ষক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন।

শিক্ষিকারা জানান, বিদ্যালয়টি দাপ্তরিকভাবে বন্দর উপজেলার অধীনে থাকায় যাতায়াত ব্যয় বেশি হওয়ায় অনেক শিক্ষক এখানে যোগ দিতে আগ্রহী হন না। ফলে নিয়োগ পেলেও কিছুদিনের মধ্যে বদলি নিয়ে চলে যান।

ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমতাজ আক্তার বলেন, সীমিত জনবল নিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে পাঠদান চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। শিক্ষক সংকট দূর করতে জেলা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

এ বিষয়ে বন্দর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আজমল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকটের বিষয়টি জানা আছে। দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com