1. nskibria2012@gmail.com : যুগ যুগান্তর : যুগ যুগান্তর kibria
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

আমি মো: আব্দুল কাইয়ুম (কাজল)মেসার্স কাজল পরিবহন সংস্থার স্বত্বাধিকারী, সিদ্দিক ম্যানশন, ২য় তলা,বিশ্বরোড, সোবহানীঘাট,সিলেট

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত

সিলেট প্রতিনিধি
আমার প্রতিষ্ঠানে একজন ম্যানেজার ছিল, নাম মুজিবুর রহমান, বাড়ি সুনামগঞ্জে উনার সুবাদে একজন লোক আস্ত তো আমার অফিসে নাম হাবিবুর রহমান হাবিব, উনার বাড়িও সুনামগঞ্জ, উনি প্রায় আমার অফিসে আসা যাওয়া করতো, উনি বলতো আমি কোর্টে মুহুরী কাজ করি, কিছুদিন পর আমার চাউলের একটা গাড়ি হারিয়ে যায়, চাউলের মালিক বলেছিল মামলা করার জন্য, আমি মামলা না করে আপোষে ওনাদের টাকা দিয়ে দেই,আমার অফিসে হাবিব নামের যে লোক আসতো সে বলল মামলা করেন না কেন, আমি বললাম যেহেতু মালিক টাকা বুঝিয়ে দিয়েছি, সেহেতু আমি এসব ঝামেলায় জড়াতে চাই না,আমি মামলা করতে চাইনা,কিন্তু উনি জোরপূর্বক ঢুকে মামলার বাদী হয়েছেন,এই গাড়ির মামলার খরচ বাবদ আমি হাবিবুর রহমান হাবিব কে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছি,অতঃপর এই মামলার কোন সমাধান না হওয়ায় আমি হাবিবকে বলেছি এই মামলা আর চালাবো না আর কোন খরচও আমি দিতে পারবো না, এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে আমার কাছ থেকে আরো ধাপে ধাপে অনেক টাকা নিয়েছে,এরপর থেকে সে আমার সাথে বিরোধিতা শুরু করে, বিভিন্ন সময়ে আমাকে হুমকি ধামকি দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানে এসে বিভিন্ন সময়ে ভাঙচুর করতো, আমাকে ফোনের মাধ্যমে অন্য লোকজন দিয়ে হুমকি দিত, এরপর আমার উপর কয়েকটা মিথ্যা বানোয়াট মামলা করে, এমন অবস্থায় আমি কোন উপায় না দেখে অসুস্থ হয়ে যাই, এরমধ্যে আমাকে একজন বিএনপির নেতা আমার ফোনে কল করে আমি ফোন রিসিভ করি সে আমাকে ফোনের মাধ্যমে বলল, হাবিবুর রহমান হাবিবের একটা ঝামেলা হাবিবুর রহমান হাবিব আমার কাছে নাকি অনেক টাকা পায়, আমি ওনাকে আমার সমস্ত সবকিছু খুলে বলি, উনি আমার কথা বুঝতে পেরেছে, উনি আমাকে একটা সময় দিয়েছে উনার নিজ বাসভবনে বসার জন্য, আমি ওই সময় উপস্থিত হই ওখানে উপস্থিত হাবিবুর রহমান হাবিব ও ছিল, আরো গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ছিল, ওখানে কথার মাধ্যমে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে, এবং কি প্রধান বিচারক উনার কথার উপরে ধার্যগ্রহণ করে প্রধান বিচারকের,কথার উপরে আমি হাবিবুর রহমান হাবিব কে ৪ লক্ষ টাকা দেই,উপস্থিত সম্মানিত বিচারীরা আমার এবং হাবিবের একটা স্ট্যাম্প এর মাধ্যমে, সমাধান করে দেওয়া হয় সেই আপোষ নামায় স্পষ্টভাবে লিখা আছে যে যার উপরে, মামলা করেছেন সে তার মামলাগুলো নিজ খরচে উঠানোর জন্য, কিন্তু আমি হাবিবুর রহমান হাবিব এর উপরে একটা মামলা করি নাই আমার উপরে সে ৪ টা মামলা করেছে,কিন্তুক আজও পর্যন্ত সে আমার মামলাগুলো উঠায় নাই, একটা সরকারি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সমাধান করার পরেও, সে আরো লোকজন দিয়ে আমাকে ফোন করে হুমকি দেয়, এবং কি সিলেট ট্রাক সমিতির একজন ভদ্রলোক নিয়ে, আমার অফিসে আসে আসার পর সে আমার কাছে টাকা পায় বলে দাবি করে, আমি সেই ট্রাক সমিতির ভদ্রলোককে আমাদের পূর্বের সালিশের ট্রাম্প গুলো দেখাই, উনি পূর্বের বিচারগনের ট্রাম্প গুলো দেখে দেখে, হাবিবুর রহমান হাবিব কে জিজ্ঞেস করলো আগে তো সমাধান হয়ে গেছে এখন কেন আবার আমাকে নিয়ে আসলে, সে উত্তর দিল পূর্বের বিচারে স্ট্যাম্পে সিগ্নেচার করে নাই, কিন্তু উনি পূর্বের বিচারীগণকে ফোন করলো, পূর্বের প্রধান বিচারক বিএনপি নেতা উনি ট্রাক সমিতির সেই ভদ্রলোককে বলল, আমি সুন্দর করে বিচার করিয়ে হাবিবুর রহমান হাবিব এর হাতে চার লক্ষ টাকা দিয়ে,উপস্থিত কাজল সাহেব এবং হাবিবুর রহমানকে, সামনে রেখে একটা স্টাম্পের মাধ্যমে সমাধান করে দেই, তারপর হাবিবুর রহমান হাবিব উনি সিগনেচার করেছেন বলে স্বীকার করলো,এ বলে উপস্থিত ট্রাক সমিতির এই ভদ্রলোক আমাকে সরি বলে চলে যায়, কিন্তু হাবিবুর রহমান হাবিব থেমে নাই, একের পর এক আমাকে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে আমি হাবিবুর রহমান হাবিবের নির্যাতনে শিকার যে কোন সময় উনি আমাকে গুম করে ফেলতে পারে, যে কোন সময় আমাকে উনি মেরে ফেলতে পারে, আমি আইনের কাছে এর বিচার চাই,দেশের মানুষের কাছে বিচার চাই, আমি কাজল ট্রান্সপোর্টের স্বত্বাধিকারী মালিক,

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..