1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন

দহগ্রাম তিনবিঘা করিডোর বিএসএফ- বিজিবি অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা অনুষ্ঠিত.

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬
  • ৪৪ বার পঠিত
৫১

হাসিবুল,(লালমনিরহাট পাটগ্রাম) প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম তিন বিঘা করিডোর এলাকায় বিএসএফ- বিজিবি অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২৩ মে শনিবার সকাল ১১ টা হতে ১২টা ২৫ ঘটিকা পর্যন্ত রংপুর ব্যাটালিয়ন (৫১ বিজিবি) এর পানবাড়ী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত মেইন পিলার ৮১২ হতে ১০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে তিনবিঘা করিডোর নামক স্থানে বিএসএফ এর আহবানে (বিজিবি-বিএসএফ)অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত পতাকা বৈঠকে বিজিবির পক্ষে ০৭ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন লেঃ কর্নেল নাজিউর রহমান পদাতিক ৫১/অধিনায়ক এবং বিএসএফ এর পক্ষে ০৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন ১৭৪/কমান্ডেন্ট বিনোদ কুমার।উক্ত স্পট মিটিং এ উভয় কমান্ডার কুশলাদি বিনিময় করেন। বিএসএফ কমান্ডেন্ট বলেন,এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মিটিং, যদিও আরো আগেই মিটিং করার প্রয়োজন ছিল। প্রতিউত্তরে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, হ্যাঁ, অবশ্যই এটা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।বিএসএফ কমান্ডেন্ট বলেন,শূন্য লাইন হতে ৫০ গজ জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে যার জন্য ৩ ফুট উচ্চতার বাঁশের খুঁটি স্থাপন করা হয়েছে যা অত্যন্ত ছোট বিষয় নিয়ে আপনার কোম্পানি কমান্ডার অস্ত্র কক করে ফায়ার পজিশনে চলে যায়। প্রতিউত্তরে বিজিবি অধিনায়ক বলেন, ১৯৭৪ আইন অনুযায়ী ১৫০ গজ এর অভ্যন্তরে যেকোনো স্থাপনা নির্মাণ যাবেনা।আপনার বিএসএফ সদস্যরা ১৯৭৪ আইন অমান্য করে বাঁশের খুটি স্থাপন করতেছিল এবং বিজিবি অধিনায়ক বলেন বিএসএফ প্রথমে অস্ত্র কক করে পরবর্তীতে নিজেদের নিরাপত্তার জন্য বিজিবি অস্ত্র কক করে এবং ফায়ারিং পজিশনে চলে যায়।বিএসএফ কমান্ডেন্ট বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশী নাগরিক, বিশেষ করে বাংলাদেশী কৃষক ভারতীয় জমির ধান, ভুট্টা কেটে ভারতীয় নাগরিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।বিজিবি অধিনায়ক বলেন,কোন বাংলাদেশী নাগরিক ভারতের মধ্যে প্রবেশ করলে ধরিয়ে দিবেন আমরা আইন অনুযায়ী বিচার করা হবে ধান, ভুট্টা কেটেছে মর্মে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম হবে না বলে বিএসএফ কমান্ডেন্ট কে আশ্বস্ত করেন এবং বিজিবি অধিনায়ক বলেন আপনারা কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি অদিগ্রহণ করেন। আমাদের কোন সমস্যা নাই তবে যে কোনো ধরনের পাকা নির্মাণ কাঁটাতারের বেড়া করতে হলে ১৫০ গজের বাহিরে কাজ করবেন। বিজিবি অধিনায়ক আরো বলেন, এই এলাকায় অদ্যাবধি কোন পুশ ইন এর ঘটনা ঘটে নাই। আশা করি ভবিষ্যতেও কোন পুশ ইন হবে না। যদি কোন বাংলাদেশী নাগরিক ভারতের অভ্যন্তরে খুজে পান, তাহলে পতাকা বৈঠকে মাধ্যমে ফেরত দিবেন।বিএসএফ কমান্ডেন্ট বলেন, আমরা পুশ-ইন করি নাই। ভবিষ্যতে হবে না বলে আশ্বাস প্রদান করেন। বিএসএফ অধিনায়ক বলেন, এই বিষয়ে আমি একমত। অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বৃদ্ধি করলে মাঠ পর্যায়েই বেশিরভাগ সমস্যা সমাধান যোগ্য। তাছাড়া সীমান্তে ১৫০ গজের মধ্যে উভয় দেশের নাগরিকগন যেন কোন স্থাপনা করতে না পারে এই বিষয়ে আমরা উভয়ই সচেষ্ট থাকবো।পরিশেষে উক্ত স্পট মিটিং শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..