1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন

হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে জশনে জুলুস মিরপুরে

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৯ বার পঠিত
২১

নিজস্ব প্রতিবেদক :

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রাজধানীর মিরপুরে জশনে জুলুস অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) মিরপুর শাহ আলী মাজার এলাকা থেকে এ জশনে জুলুস বের হয়। এতে আহলা দরবার শরীফের পীর-মুর্শিদ ও মুরিদানসহ হাজারো আশেকে রাসূল অংশ নেন।

আঞ্জুমানে আসাদীয়া নূরীয়া সেহাবীয়ার ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত জশনে জুলুসের নেতৃত্ব দেন হাদীয়েজামান হজরত শাহসূফী সৈয়দ আবু জাফর মোহাম্মদ সেহাবউদ্দীন খালেদ আল-কাদেরী আল-চিশতী (রহ.)-এর উত্তরসূরি শাহসূফী সৈয়দ আবরার ইবনে সেহাব আল-কাদেরী আল-চিশতী। তার সঙ্গে ছিলেন শাহজাদা শাহসূফী সৈয়দ হোসেইন রাইফ নূরুল ইসলাম (রুবাব) মাইজভাণ্ডারী।

সকাল থেকেই জশনে জুলুসে অংশ নিতে মিরপুর শাহ আলী মাজার এলাকায় আশেকান ও মুরিদানেরা জড়ো হতে থাকেন। পরে বিপুলসংখ্যক মানুষের অংশগ্রহণে জুলুসটি মাজার এলাকা থেকে বের হয়। জুলুসে অংশ নেওয়া মানুষের হাতে বিভিন্ন ব্যানার ও পতাকা দেখা যায়। তারা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

জুলুসে অংশ নেওয়া আশেকানদের কণ্ঠে নাতে রাসুল ও দরুদ পাঠে মিরপুরের পরিবেশ মুখর হয়ে ওঠে। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আগমন উপলক্ষে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ দেখা যায়। বিভিন্ন বয়সী মানুষ এ আয়োজনে অংশ নেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পবিত্র রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর শুভাগমন উপলক্ষে এ জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়েছে। মহানবীর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ এবং তার জীবন ও আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়াই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

জশনে জুলুসটি মিরপুর শাহ আলী মাজার থেকে শুরু হয়ে মিরপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। আয়োজকদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জুলুসটি মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১২ এলাকার বিভিন্ন সড়ক দিয়ে অতিক্রম করে।

জুলুসে অংশ নেওয়া কয়েকজন বলেন, মহানবী (স.)-এর প্রতি ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই তারা এ আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী (স.) উপলক্ষে তারা এ ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন। মহানবীর জীবনাদর্শ অনুসরণ করে শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।

আয়োজকেরা বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মানবতার জন্য শান্তি, ভালোবাসা, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের শিক্ষা দিয়ে গেছেন। তাঁর জীবন ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজ থেকে হিংসা, বিদ্বেষ ও বিভেদ দূর করা সম্ভব। জশনে জুলুসের মাধ্যমে মহানবীর সেই শিক্ষা ও আদর্শ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জশনে জুলুসকে কেন্দ্র করে মিরপুরের বিভিন্ন সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা যায়। আয়োজকদের স্বেচ্ছাসেবকেরাও জুলুসের শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..