শিরোনাম :
জামালপুরে লিচুর বিচি গলায় আটকে শিশুর মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ রয়েছে: ট্রাম্প মাগুরার ছাগলে শাক খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮ দক্ষিণাঞ্চলে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা, প্রাণ গেল দুই বাংলাদেশির ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন র‍্যাব সদস্যকে আটকে রেখে ডাকাত দলের মারধর সিলেটে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত কওমি মাদরাসার আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকায় ট্রাফিক আইন ভাঙলে স্বয়ংক্রিয় মামলা হবে : ডিএমপি কমিশনার সচিবালয়ে ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

বগুড়ায় হাসপাতালেও ঠাঁই নেই

বগুড়ায় হাসপাতালেও ঠাঁই নেই

বগুড়া প্রতিনিধি:

বগুড়ার সরকারি দুই হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১’শ জন রোগী ভর্তি হতে আসছেন। কিন্তু ২৫০ শয্যার হাসপাতালে তিল ধারণের জায়গা নেই। অনেকেই হাসপাতালের মেঝেতে অবস্থান করছেন। মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে কোনো রোগী সুস্থ হলে কিংবা কেউ মারা না গেলে (রোগী মারা গেলে সিট খালি) নতুন ভর্তি নেওয়ার সুযোগ নেই।

মোহাম্মদ আলী কর্তৃপক্ষ বলছে, বিশেষ বিবেচনা ছাড়া হাসপাতালে শনিবার থেকে নতুন কোনো রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না। তবে এখনো করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

সর্বশেষ সোমবারের তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় বগুড়ায় করোনায় ও উপসর্গে ১৪ জন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৩ ও উপসর্গে ৩ জন, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে করোনায় ৪ জন ও উপসর্গে আরো ৩ জন মারা যান। এছাড়াও বেসরকারি টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে ১০১৮টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩২৭ জন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুসারে, বর্তমানে জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১ হাজার ৯২৭ জন। তাদের মধ্যে শজিমেক হাসপাতালে ২৩৯ জন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ২৮৪ জন ও টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৯৩ জন রয়েছেন। আর ১৩১১ জন রোগী বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে প্রথম দফায় করোনা শুরুর পর বগুড়ার ২৫০ শয্যার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালকে করোনা রোগীদের বিশেষায়িত হাসপাতাল করা হয়। এখানে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা চালু রয়েছে। হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা রয়েছে অন্তত ২০টি। আছে আটটি আইসিইউ বেড।

একইভাবে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে উচ্চমাত্রার অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধাযুক্ত ২৫০ শয্যার করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলা রয়েছে অন্তত ২৫টি। এ ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল টিএমএসএস মেডিক্যাল ও কলেজে ২০০ আসন থাকলেও সেন্ট্রাল অক্সিজেন না থাকার কারণে ১০৫ জনের বেশি রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, হাসপাতালের সিট সংখ্যা বাড়িয়েও আসলে সংকট মেটানো যাচ্ছে না। এতো রোগীকে তিন হাসপাতালে ভর্তি করানো সম্ভব নয়। এ কারণে যেসব রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরেশন ভালো তাদেরকে কাউন্সেলিং করে বাড়ি পাঠিযে দেওয়া হচ্ছে। কেবল আশঙ্কাজনক অবস্থার রোগীকেই ভর্তি করা হচ্ছে হাসপাতালে। এতেও সংকট মিটছে না। ফিরে যাচ্ছেন অনেক রোগী।

মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, করোনা ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি। তাদের সঙ্গে থাকছেন রোগীর স্বজনেরাও। বারান্দায়ও অনেক রোগীকে অক্সিজেন সিলিন্ডার দিয়ে রাখা হয়েছে। রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন ডাক্তার এবং নার্সরা।

হাসপাতালের তত্বাবধায়ক এটিএম নুরুজ্জামান সঞ্চয় বলেন, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে প্রায় ২৮৪ রোগী ভর্তি আছে। শজিমেকে সিট খালি রয়েছে। এ কারণে আমরা শজিমেকে রোগী পাঠিয়ে দিচ্ছি। তবে সংকটাপন্ন রোগীকে আমরা ভর্তি করাচ্ছি। তারপরও প্রতিদিন গড়ে ১’শ জন রোগী এখানে ভর্তির জন্য আসছেন।

বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, করোনা পজিটিভ রোগীর অক্সিজেন স্যাচুরোশন ভালে থাকলে তাকে আমরা শুধু কাউন্সেলিং করেই বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছি। এখানে ২৫০ সিটের বিপরীতে ২৩৯ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। তবে প্রতিদিন অনেক রোগীই আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি হতে আসছেন এই হাসপাতালে।

জেলার একমাত্র করোনা চিকিৎসার বেসরকারি হাসপাতাল টিএমএসএসের চিত্র সরকারি দুটি হাসপাতালের মতোই। এখানে চিকিৎসা ব্যয়বহুল। এ কারণে টিএমএসএসে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য সাধারণ মানুষ কম আসছেন। কিন্তু সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সেখানেও রোগীর চাপ বেড়েছে। করোনা রোগীদের ২০০ শয্যা থাকলেও এখানে রোগী ভর্তি রয়েছে ৯৩ জন। নতুন রোগী ভর্তি নেওয়া হচ্ছে না সেন্ট্রাল অক্সিজেন সিস্টেম না থাকার কারণে। হাসপাতালটির মুখপাত্র ডা. আব্দুর রহিম বলেন, ‘আমাদের কোনো সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন নেই। সিলিন্ডারের মাধ্যমে রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া হয়। আমাদের হাসপাতালের সিট ২০০টি হলেও অক্সিজেন স্বল্পতার জন্য আমরা বেশি রোগী ভর্তি করতে পারছি না।’

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com