যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

পলি প্যাকের মোড়কে বিক্রি হবে খোলা সয়াবিন

পলি প্যাকের মোড়কে বিক্রি হবে খোলা সয়াবিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
ফাইল ছবি

খোলা সয়াবিন এখন থেকে পলি প্যাকের মোড়কে বাজারজাত করতে হবে। খোলা সয়াবিন তেল খুচরা বাজারে প্যাকেটজাত করে বিক্রি নিশ্চিত করতে শিল্প মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা বিক্রয়মূল্য (এমআরপি), উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ থাকতে হবে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শিল্প সচিবের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে সয়াবিন তেলের যথাযথ মান রক্ষা, সয়াবিন তেলের সঙ্গে পাম তেল মেশানোর প্রবণতা পরিহার, লিটার না কেজি- এ ধরনের বিভ্রান্তি দূর করতে খোলা সয়াবিন বাজারজাত করার পরিবর্তে প্যাকেটজাত মোড়কে সরবরাহ নিশ্চিত করতে বলা হয়।

চিঠি পাওয়ার পর দুই দিনের মাথায় গত রোববার শিল্প মন্ত্রণালয় তেল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান, পরিবেশক ও পাইকারি বিক্রেতা, বিএসটিআই, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেছে।

বৈঠকের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে শিল্প মন্ত্রণালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, দেশে আর কোনো খোলা তেল বিক্রি হবে না। সয়াবিন তো বটেই, পাম তেলও বিক্রি হবে পলিপ্যাক মোড়কে। তবে প্রাথমিকভাবে সারাদেশে এটা বাস্তবায়ন সম্ভব নাও হতে পারে।

এজন্য ভোজ্যতেলের বড় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে খোলা সয়াবিন তেল বাজারজাত করা থেকে সরে আসার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাধ্য করা হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (আমদানি অনুবিভাগ) এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেন, প্রাথমিক উদ্যোগটি ছিল শিল্প মন্ত্রণালয়ের। তারা অনেক আগেই চেয়েছিল খোলা তেল বাজারজাত বন্ধ করতে। কিন্তু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তদারক মন্ত্রণালয় হিসেবে করোনা পরিস্থিতি, ব্যবসায়ীদের অনুরোধ এবং দেশে ভোক্তার সক্ষমতাসহ নানাদিক বিবেচনা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপটি বাস্তবায়নে আরো কিছুদিন সময় নেয়ার জন্য বলা হয়েছিল। এরপর একটা লম্বা সময় পার হয়েছে। সয়াবিন তেলের আন্তর্জাতিক বাজার পরিস্থিতির উল্লম্ফন ঘটেছে। এই সময়ে দেশে সয়াবিন ও পাম অয়েলের দামে একটা উল্লেখযোগ্য তফাৎ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সয়াবিনের সঙ্গে পাম তেলের সংমিশ্রণ প্রবণতা বেড়ে গেছে।

সিটি গ্রুপের পরিচালক (অর্থ) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, সরকার একটি সিদ্ধান্ত দিলে উৎপাদকদের সেটি বাস্তবায়ন করতে হয়। দেশের প্রচলিত আইন, বিধি, নীতি ও সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তা সবাই মানতে বাধ্য। উৎপাদকরা নিশ্চয়ই যার যার মতো করে খোলা সয়াবিন বাজারজাত বন্ধের চেষ্টা করবে।

তিনি আরো বলেন, খোলা তেল বাজারে স্থায়ীভাবে সরবরাহ বন্ধ করতে উৎপাদকরা ২০২২ সালের ডিসেম্বর লক্ষ্য ধরে এগোচ্ছে। তবে এরই মধ্যে উৎপাদকরা তার প্রস্তুতিও নিতে শুরু করেছে। অল্প সময়ের ভেতরে তার প্রতিফলনও হয়তো দেখা যাবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com