নিজস্ব প্রতিবেদক
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আর বাড়ানোর প্রয়োজন হবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে পরামর্শক কমিটির সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ’ গতকাল শনিবার বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিউপি) একটি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
করোনার সংক্রমণ বেড়ে গেলে শুরুতে ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্কুল-কলেজ বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
দ্বিতীয় দফায় ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। নতুন করে বিধি-নিষেধ বাড়ানো না হলে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হতে পারে।
করোনা মহামারির কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর গত বছরের ১১ সেপ্টেম্বরে সব স্কুল-কলেজ খুলে দিয়েছিল সরকার। পরে ধাপে ধাপে খোলা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। কিন্তু করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের দাপটে এ বছরের শুরু থেকে সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে দ্রুত। এই প্রেক্ষাপটে গত ২১ জানুয়ারি ফের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ঘোষণা আসে।
গত ২১ জানুয়ারি যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়, তখন করোনা শনাক্তের হার ছিল ২৬.৪৭ শতাংশ। এরপর করোনা সংক্রমণের হার বাড়লেও সম্প্রতি কমতে শুরু করেছে। গতকাল শনাক্তের হার ছিল ১৬.৫০ শতাংশ।
এ ছাড়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবিরোধী আন্দোলন প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনের সঙ্গে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করছি, সেখানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে এবং স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। ’
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রীও। গতকাল মানিকগঞ্জে এক অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে। বর্তমানে যেহেতু করোনা সংক্রমণ কমে এসেছে এবং একই সঙ্গে বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান টিকার আওতায় এসেছে, তাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যেতে পারে। ’
তিনি আরো বলেন, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির পর শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা বলেছেন। এ বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো আপত্তি নেই। তবে পরামর্শ থাকবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যেন স্কুল-কলেজ খোলা হয়।
Leave a Reply