সাভার প্রতিনিধি:
সাভার উপজেলায় জালিয়াতির মাধ্যমে সাভার-আশুলিয়া ঢাকা কালেক্টরের তৌজিভুক্ত মৌজা একজনের জমি নিজের নামে বলে বায়নাপত্র করার অভিযোগ উঠেছে। প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকার ৪৪ শতাংশ জমি হাতিয়ে নিয়ে খতিয়ানে একজনের নামের জায়গায় বসিয়ে দেওয়া হয়েছে আরেকজনের নাম ।
প্রকৃত অর্থে ওই ব্যক্তির কোন অস্তিত্ব নেই। প্রতারক ব্যক্তি জমি বিক্রি করা নামে ইতোমধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় করা মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে এই জালিয়াতির ঘটনা উদঘাটন হয়েছে।
এই ব্যাপারে ভুক্তভোগী মোঃ দিদার হোসেন মিয়া বাদী হয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন । মামলা নং ২৯০ ।
সূত্র মতে বিএস খতিয়ান জালিয়াতি করে অস্তিত্বহীন এক ব্যক্তির পাওয়ার অব এটর্নি দাতা দেখিয়ে ঢাকার আশুলিয়ার কালেক্টরীর মৌজার সাব-রেজিস্ট্রি অফিস হতে বায়না দলিল বের করে দেন।
এতে জায়গার পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে ৪৪ শতাংশ। যার বাজার মূল্য দুই কোটি ষাট লাখ টাকা।
ঢাকা জেলা পলাশবাড়ী মৌজার সিএস ৫৬৬ নং, এস এ ৮১ নং, আর এস ৮০ নং:
১/ সিএস ৬১ নং, এস এ ৯৫ নং, আর এস ৯৫ নং খতিয়ান সি এস ও এস এ ১৯৭ নং দাগের, আর এস ২৯৭ নং দাগের ১৯ শতাংশ এবং
২/সিএস ৪৯ নং এস এ ৮২ নং আরএস ১১৬ নং খতিয়ানে সি এস ও এস এ ১৭৫/৪৬৫ নং দাগের আর এস ২৩৩ নং দাগে ২৫ শতাংশ। মোট (১৯+২৫ )=৪৪ শতাংশ জমির বর্তমান বাজার মূল্য দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা। বতমান জমির প্রকৃত মালিক ১/সৈয়দ আলী ২/হাবিবুর রহমান ৩/ পিন্টু মিয়া। দিদার হোসেন মিয়া জমির মূল মালিকের পরিচয় জানতে পেয়ে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল আদালতে মোহাম্মদ জাকির হোসেন । পিতা মরহুম আব্দুল আউয়াল। মাতা মরহুম রাবিয়া খাতুন । সাং শাহপুর ।থানা :নবীনগর জেলা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া। বর্তমান ঠিকানা: সাং : শিক্ষাচত্বর পূর্ব ব্রাহ্মণাদী নরসিংদী থানা: নরসিংদী সদর জেলা: নরসিংদী এর নামে মামলা দায়ের করেন।
ভুক্তভোগী মোঃ দিদার হোসেন মিয়া “যুগ যুগান্তরকে” বলেন সাক্ষীগণের মোকাবেলায় ” সাক্ষীগণের
উপস্থিতিতে নগদ ২০ বুঝিয়া পাইয়া বায়না পত্রে স্বাক্ষর করে জাকির হোসেন ২৮/ ০৯/২০১১ ইং তারিখে। বায়ানা বাবত টাকা দেওয়ার ১১বছর পার হয়ে গেলেও জাকির হোসেন জমি সঠিকভাবে রেজিস্ট্রেশন করে দেয় না । বাদী দিদার হোসেন যখন জানতে পারে যে জমির সাথে জাকির হোসেনের কোন সম্পর্ক নাই তখন দিদার হোসেন জাকির হোসেনের কাছে তার বায়নাকৃত ২০ লাখ টাকা ফেরত চাইলে জাকির হোসেন টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। প্রতারক জাকির হোসেন ভুয়া খতিয়ানে ব্যক্তির নাম ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে বসিয়ে জমির মালিক পরিবর্তন করেছে। এ বিষয়ে দিদার হোসেন মিয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানাচ্ছেন যে এই প্রতারক জাকির হোসেনকে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান।
Leave a Reply