শিরোনাম :
বাংলাদেশ থেকে পোশাক-চামড়াজাত পণ্য নিতে আগ্রহী ইতালি সাভার তেঁতুলঝোড়ায় ১১ সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন আমানউল্লাহ আমান সংবাদ সম্মেলনের ১০০ উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলো এনসিপি মিপ্রথম ইনিংসে রাজের পাঁচ উইকেটে লিড পেল বাংলাদেশ রাজারবাগ পুলিশের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরণ করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গাইবান্ধায় ভুয়া দুুদক কর্মকর্তা সেজে ঘুষ দাবির সময় আটক পটুয়াখালীতে ব্র্যাকের উদ্যোগে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে হাইব্রিড ধানবীজ ও সবজিবীজ বিতরণ, গাজীপুরে ৫ হত্যা : ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ যাচ্ছে গোপালগঞ্জে ‎সৈয়দপুর ৫ বছরে দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে: শিল্পমন্ত্রী নীলফামারীর ১০০০ শয্যার হাসপাতাল পরিদর্শনে চীনা প্রতিনিধিদল
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

কর ফাঁকি দিয়ে আসছে কসমেটিকস পণ্য

কর ফাঁকি দিয়ে আসছে কসমেটিকস পণ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কসমেটিকস বা প্রসাধন পণ্য অনেক ক্ষেত্রে কর ফাঁকি দিয়েই দেশে আমদানি হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম সফিকুজ্জামান। একই সঙ্গে এ ধরনের নকলও হচ্ছে বলে জানান তিনি। বুধবার কারওয়ান বাজারে অধিদপ্তরের কার্যালয়ে কসমেটিকস পণ্য আমদানিকারক, বাজারজাতকারী ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মত দেন।
গত কয়েক দিন প্রসাধনীর বাজার তদারকি করে রাজধানীর বনানী, গুলশান, নিউমার্কেট, মোহাম্মদপুর, কারওয়ান বাজারসহ পুরান ঢাকার চকবাজার ও মৌলভীবাজারে অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিদপ্তর। অভিযানে ১০টি দোকান থেকে মোট ৮ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

অভিযানে পাওয়া বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, পণ্য কবে, কোথা থেকে আমদানি হয়েছে, পণ্যের মান নির্ধারণকারী সংস্থার অনুমোদন, মেয়াদোর্ত্তীর্ণের তারিখ এবং পণ্যের মোড়কে আমদানিকারকের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়নি। আবার কোনো কোনো পণ্যের মোড়কে দাম লেখা নেই। খুচরা বিক্রেতারা নিজেরাই মূল্য লিখে রেখেছেন। এতে বোঝা যায় এসব পণ্য অবৈধভাবে দেশে আসছে। অর্থাৎ কর বা মূসক ফাঁকি দিয়েই আমদানি হচ্ছে। এ ছাড়া বেশিরভাগ পণ্যই নকল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। সফিকুজ্জামান বলেন, ভেজাল পণ্যের কারণে সার্বিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভোক্তারা। নকল প্রসাধনী ব্যবহারে ক্যান্সারসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁরা।
সভায় কয়েকজন আমদানিকারক জানান, কাস্টমস কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ফ্রেইট এজেন্সিগুলো অবৈধভাবে অনেক পণ্য ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। সেগুলো বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে। আবার কেউ কেউ যে পরিমাণ পণ্য আনার ঘোষণা দেন, তার চেয়েও বেশি আনেন। সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করে জরিমানা ছাড়াই পণ্য বন্দর থেকে বের করে নেন।
বাংলাদেশ কসমেটিকস অ্যান্ড টয়লেট্রিজ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসাইন বাবলু বলেন, আমদানিকারকদের হয়ে ফ্রেইট এজেন্সিগুলো ‘ম্যানেজ কারবার’ করে থাকে। হয়তো এক হাজার কেজি পণ্যে ১০ লাখ টাকা কর হলে ৫০০ কেজির কর পরিশোধ করে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com