শিরোনাম :
ভয় দেখিয়ে দেশের মানুষকে পিছিয়ে রাখা যাবে না: প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজার জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে জাতীয় প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিত আলমডাঙ্গার সাহেবপুরে ‘নসিব-৫৫’ ভুট্টা বীজে ফলন বিপর্যয়, ক্ষতিপূরণ দাবিতে কৃষকদের ক্ষোভ পলাশবাড়ীতে ব্র্যাক সিডের উদ্যোগে হাইব্রিড ধান উৎপাদন বৃদ্ধিতে কর্মশালা জামালগঞ্জে সরকারি অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা: আমন্ত্রণ না দেওয়াকে ‘ভুল’ বললেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বুড়িমারী আমদানি-রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন নতুন কমিটি গঠন গভীর রাতে ঘরে ঢুকে ৮ ভরি স্বর্ণ ও লক্ষাধিক টাকা চুরি, অভিযুক্ত কিশোর মুসা খুলনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলা, বিক্ষোভ-সড়ক অবরোধ সিলেটে ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে জখম
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ছাত্রী ধর্ষণ-হত্যা: দিহানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

ছাত্রী ধর্ষণ-হত্যা: দিহানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক :
রাজধানীর কলাবাগানে ‘ও’ লেভেল শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগের মামলায় একমাত্র আসামি ফারদিন ইফতেফার দিহানের (১৮) বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক সাবেরা সুলতানা খানমের আদালত এ দিন ধার্য করেন।
এদিন এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ধার্য ছিল। তবে আদালতে কোনো সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ১ ডিসেম্বর পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন।

২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি দুপুরে ঐ ছাত্রীকে বাসায় ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় ঐদিন রাতেই ফারদিন ইফতেখার দিহানকে আসামি করে কলাবাগান থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ২০২১ সালের ৭ জানুয়ারি সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হন। এর এক ঘণ্টা পর তার বাবাও ব্যবসায়িক কাজে বের হন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঐ ছাত্রী তার মাকে ফোন করে কোচিং থেকে পড়ালেখার পেপার্স আনার কথা বলে বাসা থেকে বেরিয়ে যান।

আসামি দিহান দুপুর আনুমানিক ১টা ১৮ মিনিটে ফোন করে ঐ শিক্ষার্থীর মাকে জানান, মেয়েটি তাদের বাসায় গিয়েছিল। হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়ায় তাকে আনোয়ার খান মডার্ন হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়।

অফিস থেকে বের হয়ে আনুমানিক দুপুর ১টা ৫২ মিনিটে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মা হাসপাতালে পৌঁছান। হাসপাতালের কর্মচারীদের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, আসামি তার কলাবাগানে ডলফিন গলির বাসায় ডেকে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে অচেতন হয়ে পড়লে বিষয়টি ভিন্ন খাতে নেয়ার জন্য আসামি নিজেই ভুক্তভোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক ঐ ছাত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

একই বছরের ৮ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদের আদালতে দায় স্বীকার করে স্বেচ্ছা জবানবন্দি দেন আসামি দিহান।

২০২১ সালের ৮ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) পুলিশ পরিদর্শক খালেদ সাইফুল্লাহ। চার্জশিটে মোট সাক্ষী করা হয় ৫৫ জনকে।

চার্জশিটে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, ভিকটিমের (শিক্ষার্থী) যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু হওয়ার একমাত্র কারণ, আসামি দিহান তাকে ফুসলিয়ে তার নির্জন বাসায় এনে অমানবিকভাবে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এছাড়া বর্বরোচিত ও পৈশাচিকভাবে ফরেন বডি ভিকটিমের গোপনাঙ্গে প্রবেশ করান। ধর্ষণের সময় আসামি দিহানের অমানবিক কার্যকলাপের কারণে গোপনাঙ্গে প্রচুর রক্তক্ষরণের সৃষ্টি হলে ভিকটিম অচেতন হয়ে পড়েন।

আসামি ধর্ষণের বিষয়টি কৌশলে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য ভিকটিমকে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভিকটিমকে মৃত ঘোষণা করেন। ধর্ষণের পর আসামি দিহান ভিকটিমের পরনের ভেতরের পোশাক ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে নিজের টি-শার্ট ও প্যান্ট পরিয়ে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু পুলিশ খুব দ্রুত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ডাকে সাড়া দিয়ে সেখানে চলে যাওয়ায় আসামি দিহান পালানো বা অন্য কোনো পরিকল্পনা করতে ব্যর্থ হন।

সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামি দিহানের বিরুদ্ধে ২০২০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে আসামির বিরুদ্ধে ঐ আইনের একই ধারায় অভিযোগপত্র দাখিল করা হলো- উল্লেখ করা হয় চার্জশিটে।

২০২২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com