জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক :
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও আরও একজনের বিরুদ্ধে বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) তিনি সাংবাদিকদের জানান, আগের দিনের অসমাপ্ত সাক্ষ্য বৃহস্পতিবার আবার শুরু হবে। এবার তা টেলিভিশন ও ট্রাইব্যুনালের ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
তিনি বলেন, বিশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মামলার ৫৩তম সাক্ষী। তিনি তদন্তকালে শেখ হাসিনার বেশ কিছু ফোনালাপ জব্দ করেছেন। সাক্ষ্য গ্রহণ চলাকালে সেসব ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে শোনানো হবে। অনুমতি পেলে তা প্রত্যেকটি ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সম্প্রচার করা হবে।
এর আগে, মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এক ভিডিও বার্তায় প্রসিকিউটর তামিম সাক্ষ্য সম্প্রচারের বিষয়টি প্রথম জানান।
এদিকে মামলার ২১তম কার্যদিবসে, বুধবার, ৫২টি সাক্ষ্যের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষ হয়েছে। এদিন আদালতে প্রথমে ৪৫ নম্বর সাক্ষী শাহেদ জোবায়ের লরেন্স তার অসমাপ্ত সাক্ষ্য দেন। এরপর ৫০তম সাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দিতে শুরু করেন আরেকজন।
পাশাপাশি জব্দকৃত নথিপত্রের বিষয়ে সাক্ষ্য দেন তদন্ত সংস্থার রেকর্ড ও লাইব্রেরি ইনচার্জ মো. কামরুল হোসাইন ও আনিসুর রহমান। তাদের জেরা করেন স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবীরা।
বিচারকার্যে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ, আবদুস সাত্তার পালোয়ান এবং আরও অনেকে।
Leave a Reply