যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

চুয়াডাঙ্গায় খাদ্যে কাপড়ের রং ব্যবহারে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গায় খাদ্যে কাপড়ের রং ব্যবহারে ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি,

চুয়াডাঙ্গায় খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রিতে ক্ষতিকর কাপড়ের রং এবং পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ব্যবহৃত লবণ ব্যবহারের দায়ে তিনটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাসপাতাল রোড ও বড় বাজার এলাকায় তদারকিমূলক অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

 

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত শহরের বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, ‘মেসার্স হোটেল কুটুম বাড়ি খাওয়া ঘর’ তাদের খাদ্যদ্রব্যে পশুর কাঁচা চামড়া সংরক্ষণে ব্যবহৃত লবণ ব্যবহার করছে এবং প্রতিষ্ঠানটির কোনো বৈধ স্বাস্থ্য সনদ নেই। এ অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির মালিক রনি আলমকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অন্যদিকে, নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ও স্বাস্থ্য সনদ না থাকায় ‘হোটেল মুসলিম ফুড’-এর মালিক রতন বিশ্বাসকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া খাদ্যে জাফরানের রং হিসেবে ক্ষতিকর কাপড়ের রং ব্যবহার এবং নিষিদ্ধ কেওড়া জল বিক্রির দায়ে ‘মেসার্স গৌতম স্টোর’-এর মালিক শ্রী গৌরচন্দ্র বসুকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ও ৪৫ ধারায় তিনটি প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। অভিযানকালে অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করা হয় এবং মূল্যতালিকা হালনাগাদ, স্বাস্থ্য সনদ সংরক্ষণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। এ সময় সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, পৌর স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নার্গিস জাহান, ক্যাব প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি চৌকস টিম। সংশ্লিষ্টরা জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com