যশোরপ্রতিনিধি
উন্নত দেশগুলোতে কার্পজাতীয় মাছের আঁশ, মাছের পিটুইটারি গ্লান্ড, ফিস ওয়েল-এর মতো অপ্রচলিত পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশে এখন অনেক উদ্যোক্তা এসব পণ্য নিয়ে কাজ করছেন। এগুলো বিদেশে রফতানি করতে পারলে প্রতিবছর বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। এসব পণ্য উদ্যোক্তারা বিদেশে রফতানির উদ্যোগ নিলে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
সোমবার দুপুরে যশোর মৎস্য ভবন অডিটোরিয়ামে এক কর্মশালায় এ কথা বলেন বক্তারা।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুল মামুন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক পলাশ কুমার ঘোষ। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বেনাপোল স্থল বন্দরের ফিসারিজ কোয়ারেনটাইন অফিসার সঞ্জীব সাহা।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের অর্থায়নে যশোর মৎস্য অফিসের সহযোগিতায় বাংলাদেশ নন প্যাকার ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন এই কর্মশালার আয়োজন করে। এতে যশোর জেলার হ্যাচারি মালিক, মৎস্য চাষী, মাছের পোনা উৎপাদক এবং মাছের আঁশ ও পিটুইটারি গ্লান্ড নিয়ে কাজ করেন এমন উদ্যোক্তা ও মুক্তাচাষীরা অংশ নেন।
কর্মশালায় উদ্যোক্তারা অভিযোগ করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে মৎস্যজাত অপ্রচলিত পণ্য নিয়ে কাজ করলেও এগুলো সরাসরি বিদেশে রফতানি করতে পারছেন না। এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক পলাশ ঘোষ বলেন, উদ্যোক্তার সংখ্যা বেশি হলে এবং তারা এসব পণ্য বিদেশে রফতানি করতে চাইলে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
Leave a Reply