মোঃ মিজানুর রহমান।
ভালুকা উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট বাসা বাড়ি ফ্যাক্টরি অফিস আদালতেরবারান্দায় স্কুল কলেজ মাদ্রাসার মাঠে এমনকি বাজার দোকান পাঠে এখন মোবাইলে বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে টাকা খোয়েছেন সব শ্রেণীর মানুষ ।
যারা বুঝে শুনে এই আপ দিয়ে জুয়া খেলে তারা কেউ কেউ একবার দুইবার জিতে যায় খেলার তারপর লোভে পুনরায় খেলছে এতে অনেকে টাকা হেরে সংসারে অশান্তি নিয়ে জীবনযাপন করছে অনেকেই।স্কুল কলেজের ছাত্ররা টিফিনের খরচের টাকা জুয়ায় খাটিয়ে হেরে কিনারা না পেয়ে অবশেষে মা বাবার সাথে দুর্ব্যবহার করে শেষে বিভিন্ন ধরনের অপরাধে জরিয়ে পরছে।
ভালো ভালো লেবাস ধারি লোক জড়িত এ নেশায়।বুঝার উপায়নেই যে এই লোকটি জুয়া খেলছে ।
নাম প্রকাশ না করা শর্তে একজনের সাথে কথা বলে জানা যায় আজ সে ৭০ হাজার টাকা ঋণী সংসারে না লাগিয়ে জুয়া খেলিয়া হেরে এখন দিন চুক্তি কাজ করে কিস্তি দিতে হচেছ আর সংসারে অশান্তি লেগে আছে। অনেক অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা যায়
পড়াশোনায় খারাপ রেজাল্ট করছে আর পড়াশোনা ঠিকমতো করতে পারছে না এই জুয়া খেলার কারনে।কার কাছে গেলে এমন অনৈতিক মোবাইর অ্যাপ বন্ধের বিচার পাবে, সাইকেল ঘুরছে সবাই তো এই জোয়ার নেশা সাইকেল ঘোরার গুরছে। সবার দাবি একটাই না পারছি মোবাইল বন্ধ করতে না পারছি মোবাইল অ্যাপগুলো বন্ধ করতে।
সরকার ও মোবাইল প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবী জুয়ার অ্যাপ যাতে বনধ হয় তার ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।