শিরোনাম :
আগামী ৬ মাসের মধ্যে ঢাকায় ট্রাফিক আইন ভাঙলে স্বয়ংক্রিয় মামলা হবে : ডিএমপি কমিশনার সচিবালয়ে ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়’ লবণচাষিদের জীবনমান উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজে ফের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ চালুর কথা ভাবছেন ট্রাম্প আসন্ন ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পোশাক কারখানায় তিন ধাপে ছুটিসহ নানা প্রস্তুতি গাইবান্ধায় ৩৫ দপ্তরের বিরুদ্ধে ১১৮ অভিযোগ, দুদকের গণশুনানি অনুষ্ঠিত  আটোয়ারীতে পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের প্রতিবাদী মানববন্ধন কর্মসূচি কালীগঞ্জে এগ্রো ফুড কোম্পানিতে র‍্যাব এর অভিযান, ২ লাখ টাকা জরিমানা পাটগ্রামে পেশার মর্যাদা রক্ষায় ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিগণের প্রতিবাদী মানববন্ধন পঞ্চগড়ের আলোচিত সেই এসপিকে প্রত্যাহার
যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

চট্টগ্রাম টিপসই নিয়ে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল জামায়াত নেতা

চট্টগ্রাম টিপসই নিয়ে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিল জামায়াত নেতা

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করছেন অভিযোগকারী বেদারুল হক চৌধুরী

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শিলকুপ ইউনিয়নের জামায়াতের রোকন কাজী নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করেছেন বেদারুল হক চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। সোমবার বিকেলে অক্সিজেনস্থ একটি কমিউনিটি সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াত নেতা কাজী নুর মোহাম্মদ অভিযোগকারীর আত্মীয় হন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বেদারুল হক চৌধুরী বলেন, আমরা বর্তমানে ৩ ভাই ৪ বোন। বোনেরা শ্বশুর বাড়িতে থাকে। ১৯৯৯ সালে আমার বাবা মারা যান। আমার মা বয়োবৃদ্ধ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি আমার মা একটি জায়গা বিক্রি করে ৪০ লাখ ২৮ হাজার পান। আমরা ভাই-বোন সবাই মোরশী ও ক্রয় করা জমি বিক্রি করে যার যার টাকা গ্রহণ করি। আমার মা জায়গা বিক্রির টাকাগুলো ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের বাঁশখালী শাখায় জমা রেখে চেক বই গ্রহণ করেন। আমার মার টাকার ওপর বড় বোন ফরিদা ও তার স্বামী জামায়াত নেতা কাজী নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে কাজী শাহরিয়ারের কুদৃষ্টি পড়ে। পরে তারা আমার অসুস্থ মাকে বেড়াতে নিয়ে গিয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়িতে নিয়ে যায়। ওখানে যাওয়ার সময় মা চেক বই সঙ্গে নিয়ে যায়। পরে আমার বোন ফরিদা খানম মাকে বলে আমাকে ৩০ হাজার টাকা দেন, আমার ছেলে কাজী শাহরিয়ার বেতন পেলে দিয়ে দিব। আমার মা সরল বিশ্বাসে একটি ব্যাংক চেকে টিপসই দেন। পরে চেক ভুল হয়েছে বলে আরো দুটি চেকে টিপসই নেওয়া হয়। পরবর্তীতে তারা মাকে ব্যাংকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তারা মায়ের ৩০ হাজার টাকা তোলার পরিবর্তে ৩৬ লাখ টাকা ফরিদা খানের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করিয়ে নেয়। কিছুদিন পর আমি আমার মায়ের টাকাগুলো এফডিআর করতে ব্যাংক অফিসারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করতে যাই। আমার মায়ের ৪০ লাখ ২৮ হাজার টাকার স্থলে ২ লাখ টাকা ব্যালেন্স দেখতে পাই। পরে যাচাই করে দেখি টাকাগুলো ফরিদা খানমের অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করা হয়েছে।’

বেদারুল হক চৌধুরী বলেন আরো বলেন, মাকে বিষয়টি বললে মা হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে এবং এক পর্যায়ে হার্ট অ্যাটাক করে। পরে মাকে চট্টগ্রামে মেডিকেলে ভর্তি করি। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর মাকে বাসায় নিয়ে আসি। পরে মা বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি নালিশি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বাঁশখালী থানাকে তদন্ত দিলে থানা সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে একটি তদন্ত রিপোর্ট দেয়। থানা দু’পক্ষকে ডাকলে ফরিদা গং টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে স্বীকার করে। টাকাগুলো এক সপ্তাহের মধ্যে মাকে পরিশোধ করবে বলে অঙ্গীকার করে। পরে আমরা মায়ের টাকাগুলো চাইতে গেলে টাকা না দিয়ে উল্টো আমাদের বিভিন্ন ধরনের হুমকি-দমকি দিচ্ছে। সন্ত্রাসীদের দিয়ে আমাদের গুম করারও হুমকি দিচ্ছে। পরে তারা আমাদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতাই ভুগছি। আমি আমার মায়ের টাকাগুলো উদ্ধার করার জন্য প্রশাসনের সহায়তা কামনা করছি।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বেদারুল হক চৌধুরীর, তার বড় ভাই দিদারুল হক চৌধুরী, তার ছেলে এম মুসফিকুল হক চৌধুরী ও রবিউল ইসলাম।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com