1. nskibria2012@gmail.com : ns kibria : ns kibria
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন

রাজনৈতিক আক্রোশে ফরিদপুরের সৌন্দর্যমণ্ডিত চত্বরগুলো ভেঙে ফেলার চাপ! ফুঁসে উঠেছে সচেতন মহল

প্রতিনিধির নাম
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৫০ বার পঠিত
৫৩

ফরিদপুর প্রতিনিধি :
ফরিদপুর শহরকে একটি দৃষ্টিনন্দন ও মডেল শহরে রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত বেশ কয়েকটি সৌন্দর্যবর্ধনকারী স্থাপনা ভেঙে ফেলার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক আক্রোশ থেকে একটি প্রভাবশালী মহলের এমন ইন্ধনের খবরে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ফরিদপুরের সাধারণ জনগণ, সচেতন মহল ও খেটে খাওয়া মানুষ।

জানা গেছে, সংশ্লিষ্ট বিভাগের লিখিত ও মৌখিক অনুমতি নিয়েই শহরের ‘গোরস্থানের মোড় চত্বর’, আলীপুর গোলপুকুর মোড়ে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা খান মাহবুব চত্বর’ এবং ‘অনাথের মোড় চত্বর’ সহ বেশ কয়েকটি স্থাপনা নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করেন বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জুয়েল । দৃষ্টিনন্দন এই স্থাপনাগুলো ফরিদপুরবাসী সাদরে গ্রহণ করে এবং এটি জেলা ছাড়িয়ে সারাদেশে প্রশংসিত হয়।

কিন্তু হঠাৎ করেই রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে এই সুন্দর স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফরিদপুরবাসী।

এ বিষয়ে বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী সৈয়দ জুলফিকার হোসেন জানান, “গত শনিবার রাত ৮:৩০ মিনিটে সড়ক বিভাগ ফরিদপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদার আমাকে ফোন করে জানান যে, ফরিদপুরের এক প্রভাবশালী নেতা সড়ক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ওপর স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার জন্য প্রচণ্ড চাপ প্রয়োগ করছেন। সে কারণে নির্বাহী প্রকৌশলী আমাকে স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার অনুরোধ করেন।”

সৈয়দ জুলফিকার হোসেন আরও বলেন, “আমি নির্বাহী প্রকৌশলীকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি—আমার দ্বারা এই স্থাপনা ভাঙা সম্ভব নয়। আপনারা যদি পারেন, তবে ডিপার্টমেন্টালভাবে ব্যবস্থা নিন। আমি ফরিদপুরবাসীকে জানাতে চাই, আমি হয়তো আমার নিজস্ব অর্থায়নে এই স্থাপনাগুলো তৈরি করেছি, কিন্তু নির্মাণের পর এগুলো এখন ফরিদপুরের জনগণের সম্পদ। এখন আপনাদের এই সুন্দর ফরিদপুর স্থায়ী রূপ নেবে, নাকি ব্যক্তি আক্রোশে শহরটি সৌন্দর্য হারিয়ে পিছিয়ে যাবে, সেই সিদ্ধান্ত আমি জনগণের ওপরেই ছেড়ে দিলাম।”

এদিকে, রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের জেরে শহরের সৌন্দর্য নষ্ট করার এমন আত্মঘাতী সম্ভ্যাব্য সিদ্ধান্তের খবরে ক্ষোভে ফুঁসে উঠেছে স্থানীয় সচেতন মহল, সাধারণ জনগণ, এমনকি রিকশা ও অটোচালকরাও।

তারা বলছেন, রাজনৈতিক মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যের ওপর আঘাত কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

স্থাপনাগুলো ভেঙে ফেলার চাপের বিষয়ে জানতে ফরিদপুর সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খালিদ সাইফুল্লাহ সরদারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..