পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার ৬ নং সোনাহার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মশিউরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছেন । ভুগতোভুগি জেলা দিনাজপুর থানা কতোয়ালি ,জভিয়ামোল্লাপাড়া সাকিনের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রফিকা খাতুন অভিযোগ করে বলেন রবিবার (২৪-০৪-২০২২) আমি রংপুর থেকে বাসে করে আসার সময় বাসের ভিতরে ঘুমিয়ে যাই বাসের হেলফার আমাকে ০৬ নং সোনাহার বাজারে নামিয়ে দেয় আমি তখন জায়গাটি চিনিতে পারিনা বাজারের লোকজনকে ঝাড়বাড়ী যাওয়ার কথা জিজ্ঞাসা করিলে একটি অপরিচিত অটোবাইকে আমি ঝাড়বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা করি আমাকে অটোবাইক টি নুরুবাজার পৌঁছালে অটোবাইকটির র্চাজ শেষ হয়ে যায় তখন আমি ঘাটপার যাওয়ার রাস্তার কথা আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলি অপরচিতি এক ভদ্রলোক কে ঝাড়বাড়ী যাওয়ার রাস্তা কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে আমাকে বলেন ঘাটপার হলেই ঝাড়বাড়ী যাওয়া যাবে এসময় স্থানীয় কয়েকজন অপরচিতি ছেলে আমাকে ও অপরিচিত লোকটি কে ঘিরেফেলে এবং হিন্দু ছেলেটিকে মারপটি শুরু করে একটু পরেই গ্রাম পুলিশ আমাদের কে সোনাহার ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায় যাওয়ার পরে চেয়ারম্যান আমাকে পরিষদের রুমে সারারাত আটকে রাখে সকালে আমাকে মারপটি শুরু করে আমার কাছ থেকে ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন, তখন সকাল ১১টা অনুমানিক তখন দেখি আমার সঙ্গে আরও তিন জন পুরুষ লোক কে একত্রিত করে।আমি চেয়ারম্যানের কাছে আমার মুঠোফোনটি চাই বাসায় আমার স্বামীকে খবর দিতে চাইলে চেয়ারম্যান আমাকে মারপিট শুরু করে বলে আমি যা বলবো তা তোমাকে করতে হবে । চেয়ারম্যান আমাকে হাজারো লোক সমাজের মাঝে অপরিচিত ৩জন লোক সহ আমাকে চেয়ারম্যান কান ধরে একাধিকবার উঠা-বসা করার নির্দেশ দেন , পরে আমি নিরুপায় হয়ে কান ধরে উঠাবসা করি আমার সঙ্গে যে লোকজন কান ধরে উঠবস করেছে তাদের কে আমি চিনি না, অজ্ঞাত আরেক জনের ফোন থেকে আমি আমার স্বামীকে ফোন করলে আমার স্বামী ইউনিয়ন পরিষদে আসলে তাকেও মারপিট করে চেয়ারম্যান, এবং আমাদের ছবি ভিডিও করে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেরেদেয় এখন আমার আত্মহত্যা ছাড়া কোন পথ না্ই,আমি চেয়ারম্যানের বিচার চাই,। পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার নুল্ল্যাপাড়া গ্রামের ইমরান আলির ছেলে রেয়াজুল ইসলাম (৫০) নিলফামারি জেলার ডোমার উপজেলার হরিহারা দাস পারা গ্রামের কালিদাস এর ছেলে সুরেশ দাস (৪০) নিলফামারি জেলার ডোমার উপজেলার বাগডোগরা গ্রামের তাল কিশরের ছেলে ধনন্জয় রায় (৩০) বলেন আমরা কেউ কাউকে চিনি না,আমাদের কে বাজার থেকে ডেকে নিয়ে চেয়ারম্যান আমাদের মারপিট করেছে,এবং আমাদের ছবি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিয়েছে ,আমরা এখন সমাজে মুখ দেখাতে পারছি না ,আমাদের কে অন্যায় ভাবে জরানো হয়েছে আমরা এর বিচার চাই,চেয়ারম্যান আরো বলেন আমরা কোন আইনি ব্যবস্থা নিলে আমাদের কে ভারতে পাঠায় দিবে বলেহুমকি দেয় ।
চেয়ারম্যান মশিউর রহমানের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমি যা করেছি তা সমাজের কথা ভেবে করেছি ,আমি তাদের কে কান ধরে উট বস করিয়েছি এটা সত্য ,আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন বলে জানান । চেয়ারম্যানের এমন কার্যকলাপে মানবধিকার লংঘন হয়েছে কিনা এ বেপারে যানতে চাইলে মানবধিকার কর্মি মোঃ আবু বাকের বলেন এমন কর্যকলাপ চেয়ারম্যানের করা উচিত হয়নি প্রত্যাক মানুষের সমাজেএকটি পরিচিতি আছে ,চেয়ারম্যান যা করেছে তা বোধগম্য নয় ।
Leave a Reply